রাজধানীর বেইলি রোডে বসবাসকারী শিল্পী, সাংবাদিক ও লেখক আমিরুল মোমেনীন মানিক হঠাৎ কয়েক গুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ তুলে বিলের কাগজসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বিদ্যুতের অবিশ্বাস্য ভুতুড়ে বিলের বিষয়টি তদন্ত করে সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, ২০১৩ সাল থেকে বেইলি রোডের ওই বাসায় বসবাস করছেন। এ সময়ের মধ্যে প্রতি মাসে তাদের বিদ্যুৎ বিল সাধারণত ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে থাকলেও চলতি মাসে বিল এসেছে ৭ হাজার ৮৮৪ টাকা।
পোস্টে আমিরুল মোমেনীন মানিক লেখেন, ‘এটা (এমন বিল) অবিশ্বাস্য জালিয়াতি ছাড়া আর কি! মনে হচ্ছে কোনো সিন্ডিকেটের কারসাজি। অ্যাপার্টমেন্টের আরও কয়েকজন জানালো, তাদেরও এরকম বিল এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ, নিত্যপ্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। এরকম ভুতুড়ে বিল ভয়াবহ অস্বস্তি তৈরি করেছে সবার মধ্যে । জনগুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়টি সমাধানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
এদিকে, চলতি মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক গ্রাহক আগের মাসের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি বিল পাওয়ার অভিযোগ তুলে বিলের কপি ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। এ নিয়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহারের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে বিলের কোনো মিল নেই।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, ২০১৩ সাল থেকে বেইলি রোডের ওই বাসায় বসবাস করছেন। এ সময়ের মধ্যে প্রতি মাসে তাদের বিদ্যুৎ বিল সাধারণত ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে থাকলেও চলতি মাসে বিল এসেছে ৭ হাজার ৮৮৪ টাকা।
পোস্টে আমিরুল মোমেনীন মানিক লেখেন, ‘এটা (এমন বিল) অবিশ্বাস্য জালিয়াতি ছাড়া আর কি! মনে হচ্ছে কোনো সিন্ডিকেটের কারসাজি। অ্যাপার্টমেন্টের আরও কয়েকজন জানালো, তাদেরও এরকম বিল এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ, নিত্যপ্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। এরকম ভুতুড়ে বিল ভয়াবহ অস্বস্তি তৈরি করেছে সবার মধ্যে । জনগুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়টি সমাধানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
এদিকে, চলতি মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক গ্রাহক আগের মাসের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি বিল পাওয়ার অভিযোগ তুলে বিলের কপি ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। এ নিয়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহারের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে বিলের কোনো মিল নেই।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন