দেশের বাজারে কাঁচামরিচের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সরকারের অনুমতির পর অবশেষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে প্রথম চালানটি হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করে।
প্রথম চালানে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মাহাদী এন্টারপ্রাইজ ও রাজ এন্টারপ্রাইজ ২১ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ আমদানি করেছে। আমদানি শুরুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই দেশের বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। মাত্র একদিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এর আওতায় হিলি স্থলবন্দরের ১১ জন আমদানিকারক প্রায় ৩ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। অনুমতি পাওয়ার পর আমদানিকারকরা এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলাসহ প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বিকেলে তিনটি গাড়িতে প্রথম চালানটি বন্দরে পৌঁছায়।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শাহাবুল ইসলাম জানান, টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাঁচামরিচের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন কমে যায়। ফলে বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হয়ে কাঁচামরিচের দাম কেজিপ্রতি ৩০০ টাকারও বেশি ছাড়িয়ে যায়। তিনি বলেন, ভারতের বাজারে কাঁচামরিচের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আমদানির অনুমতির দাবি জানানো হচ্ছিল। সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর দ্রুত এলসি খুলে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন নিয়মিত আমদানি হলে দেশের বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং দাম আরও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, দেশের বাজারে কাঁচামরিচের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার আমদানির অনুমতি দিয়েছে। অনুমতি পাওয়া আমদানিকারকরা এখন ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি করতে পারবেন। তিনি জানান, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সর্বশেষ গত বছরের ২০ নভেম্বর ভারতীয় কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এ বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হলো।
এদিকে আমদানির খবর ছড়িয়ে পড়তেই হিলিসহ দেশের বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, মাত্র একদিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ৯০ টাকা দাম কমেছে। বর্তমানে বাজারে কাঁচামরিচ আগের তুলনায় অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি ধারাবাহিকভাবে চললে বাজারে সরবরাহ আরও বাড়বে এবং কাঁচামরিচের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
প্রথম চালানে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মাহাদী এন্টারপ্রাইজ ও রাজ এন্টারপ্রাইজ ২১ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ আমদানি করেছে। আমদানি শুরুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই দেশের বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। মাত্র একদিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এর আওতায় হিলি স্থলবন্দরের ১১ জন আমদানিকারক প্রায় ৩ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। অনুমতি পাওয়ার পর আমদানিকারকরা এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলাসহ প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বিকেলে তিনটি গাড়িতে প্রথম চালানটি বন্দরে পৌঁছায়।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শাহাবুল ইসলাম জানান, টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাঁচামরিচের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন কমে যায়। ফলে বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হয়ে কাঁচামরিচের দাম কেজিপ্রতি ৩০০ টাকারও বেশি ছাড়িয়ে যায়। তিনি বলেন, ভারতের বাজারে কাঁচামরিচের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আমদানির অনুমতির দাবি জানানো হচ্ছিল। সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর দ্রুত এলসি খুলে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন নিয়মিত আমদানি হলে দেশের বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং দাম আরও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, দেশের বাজারে কাঁচামরিচের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার আমদানির অনুমতি দিয়েছে। অনুমতি পাওয়া আমদানিকারকরা এখন ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি করতে পারবেন। তিনি জানান, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সর্বশেষ গত বছরের ২০ নভেম্বর ভারতীয় কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এ বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হলো।
এদিকে আমদানির খবর ছড়িয়ে পড়তেই হিলিসহ দেশের বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, মাত্র একদিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ৯০ টাকা দাম কমেছে। বর্তমানে বাজারে কাঁচামরিচ আগের তুলনায় অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি ধারাবাহিকভাবে চললে বাজারে সরবরাহ আরও বাড়বে এবং কাঁচামরিচের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে