পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় চোর সন্দেহে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এর আগে, নিহতের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক মুদি দোকানদার ও তার দুই ছেলে আহত হন।
রবিবার (২ আগস্ট) মধ্যরাত ৩টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের মিস্ত্রিপাড়া ঠান্ডাতলা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মানিক হোসেন ওরফে সুমন (৩২)। তিনি একই ইউনিয়নের মহাদেবপুর আজিজলতলা গ্রামের মৃত বয়েন মণ্ডলের ছেলে।
আহত মুদি দোকানদার হাবিবুল মন্ডল জানান, গভীর রাতে তার দোকানে চুরির জন্য প্রবেশ করেন মানিক ওরফে সুমন। দোকানের পাশেই বাড়ি হওয়ায় শব্দ পেয়ে তিনি বাইরে বের হয়ে সুমনকে আটকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় সুমন তার কাছে থাকা একটি চায়নিজ কুড়াল দিয়ে তার হাত ও পিঠে এলোপাতাড়ি কোপ দেয়। হাবিবুলের চিৎকারে তার দুই ছেলে এগিয়ে এলে তাদেরও কুপিয়ে আহত করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে সুমনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। ফলে সুমন ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
রবিবার (২ আগস্ট) মধ্যরাত ৩টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের মিস্ত্রিপাড়া ঠান্ডাতলা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মানিক হোসেন ওরফে সুমন (৩২)। তিনি একই ইউনিয়নের মহাদেবপুর আজিজলতলা গ্রামের মৃত বয়েন মণ্ডলের ছেলে।
আহত মুদি দোকানদার হাবিবুল মন্ডল জানান, গভীর রাতে তার দোকানে চুরির জন্য প্রবেশ করেন মানিক ওরফে সুমন। দোকানের পাশেই বাড়ি হওয়ায় শব্দ পেয়ে তিনি বাইরে বের হয়ে সুমনকে আটকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় সুমন তার কাছে থাকা একটি চায়নিজ কুড়াল দিয়ে তার হাত ও পিঠে এলোপাতাড়ি কোপ দেয়। হাবিবুলের চিৎকারে তার দুই ছেলে এগিয়ে এলে তাদেরও কুপিয়ে আহত করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে সুমনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। ফলে সুমন ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন