আন্দোলন প্রত্যাহার প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের

আপলোড সময় : ০২-০৮-২০২৬ ০৪:০৪:১৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০২-০৮-২০২৬ ০৪:০৬:৩৯ অপরাহ্ন
সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত ও আশ্বাসের পর শাহবাগের অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা।

রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনের সড়কে কয়েক ঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচি পালনের পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন বিজ্ঞপ্তি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেন তারা।

এর আগে, আগস্টের মধ্যেই যোগদান ও পদায়নের দাবিতে সকাল থেকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শাহবাগ থানার সামনে পুলিশের ব্যারিকেড ও একটি জলকামান মোতায়েন করা হয়। এতে শাহবাগ থেকে টিএসসি অভিমুখের ডান পাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী ফল প্রকাশের ১৭৫ দিন পার হলেও এখনো যোগদান করতে পারেননি। নিয়োগের সব ধাপ শেষ হলেও দীর্ঘ অনিশ্চয়তায় থাকতে হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

আন্দোলনের মধ্যেই দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে। বিদ্যালয়-২ শাখার উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগে নির্ধারিত ২৯ অক্টোবরের পরিবর্তে আগামী ১ অক্টোবর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন। পরদিন ২ অক্টোবর তাদের পদায়ন করা হবে। যথাসময়ে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে এবং পরে পেশাগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আন্দোলনকারীরা জানান, সরকারের এই সিদ্ধান্তে তারা ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন। প্রজ্ঞাপন জারি এবং তা ওয়েবসাইটে প্রকাশের পর তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করবেন।

এর আগে, শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি ভার্চ্যুয়াল সভা শেষে সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছিলেন, তদন্ত ও প্রক্রিয়াগত দীর্ঘসূত্রতার কারণে নিয়োগে বিলম্ব হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত সহকারী শিক্ষকদের যোগদান করানো হবে। তবে পরদিন নতুন সিদ্ধান্তে যোগদানের তারিখ এক মাসের বেশি এগিয়ে আনা হয়।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত (এমসিকিউ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়। পরে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হলেও এতদিন তারা যোগদান করতে পারেননি।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :