ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়নের মেরকুটা গ্রামে মাদকে ছেয়ে গেছে। সেখানে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে মাদক বিক্রেতা জাহাঙ্গীর পুলিশ ও মাদকের ডিলার বহু মামলার আসামি ভয়ংকর আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন স্থানীয় মেরকুটা গ্রামের বাসিন্দা জনৈক শামীম মিয়া। ঘটনার বিবরণে শামীম মিয়া পুলিশ সুপার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বরাবরে পৃথক অভিযোগ করেছেন।
নবীনগর উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়নের মেরকুটা গ্রামে দীর্ঘদিন যাবত সাবেক পুলিশ সদস্য বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত বির্তকিত পুলিশ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম (৬২) পিতা -মৃত ছন্দু মিয়া স্থায়ী: গ্রাম- মেরকুটা (ইউপিঃ জিনোদপুর), উপজেলা/থানা- নবীনগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও তার আপন ছোট ভাই কুখ্যাত মাদক বিক্রেতা মো; আলমগীর (৪৭)মৃত ছন্দু মিয়া স্থায়ী: গ্রাম- মেরকুটা (ইউপিঃ জিনোদপুর), উপজেলা/থানা- নবীনগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া। তিনি ভয়ংকর প্রকৃতির মানুষ হয়। যেহেতু জাহাঙ্গীর আলম পুলিশের সদস্য ছিলো সে মেরকুটা গ্রামে অসহায় মানুষদের উপর জুলুম নির্যাতন করে আসতেছে। সে ইতোমধ্যে মেরকুটা গ্রামের তরুন আইনজীবী তামিমকে রামদা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করার যথেষ্ট প্রমান ও ছবি থাকার পরও প্রভাব খাটিয়ে নিজের নাম বাদ দেয়। এই আলমগীরের ভাই জাহাঙ্গীর এতোটাই ভয়ানক যে সারাক্ষণ মেরকুটা গ্রামের মানুষকে ভয়ের মধ্যে রাখে।সে যেহেতু পুলিশের চাকুরী করতো সেই হিসেবে তার ভয়ে মানুষ কোন কথা বলার সাহস পেতো না। শুধু তাই নয়, এই জাহাঙ্গীর আলম পুলিশ বর্তমানে এলপিআরে থাকলেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে পুলিশের একজন এসপির বাসায় ডাকাতির অভিযোগ। এর ফলে জাহাঙ্গীর পুলিশ চাকুরী থেকে বরখাস্তও হয়েছিলো।কিন্তু আবারও নানান তদবির করে জাহাঙ্গীর আলম একটা ভুয়া কাগজ বানিয়ে আদালকে জানায় সে এসপি সাহেবের বাসার ডাকাতির দিন ডিআইজি অফিসে ডিউটিতে ছিলো।এগুলো একটু তদন্ত করলে সত্যতা পাবেন। শুধু তাই নয়, তা মাদক বিক্রেতা আলমগীর জাহাঙ্গীর পুলিশের ভাই হওয়ায় আলমগীর এলাকার স্বপ্না হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পরও জাহাঙ্গীর আরেকটা ভুয়া কাগজ বানিয়ে আদালতে জমা দেয় স্বপ্না খুনের দিন আলমগীর হাসপাতালে ভর্তি ছিলো। এগুলো একটু সঠিক তদন্ত করলে সব তথ্য বের হয়ে আসবে। জাহাঙ্গীর পুলিশ এই অপকর্মের মূল হোতা। তাকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। আলমগীর সরাসরি মাদক বিক্রি করে জাহাঙ্গীর পুলিশ তাকে প্রশাসনিক সহযোগিতা করে।তার কারণে আলমগীর বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
জাহাঙ্গীর পুলিশ পুলিশের বড় বড় কর্মকর্তার নাম বিক্রি করে এলাকায় ত্রাসের রাজস্ব কায়েম করে আসছে।যেহেতু মাদক বিক্রেতা আলমগীর নিজে মাদক গ্রহণ ও সেবন করে সেহেতুমেরকুটা গ্রামে সে প্রকাশ্যে মাদকদ্রব্য বিক্রয় করে আসছে।যার ফলে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। সে ইয়াবা, গাঁজা, ফেন্সিডিল ইত্যাদি বিক্রি করে আসছে। প্রতিদিন সকাল থেকে মাদক বিক্রি হলেও সন্ধ্যার ৬ টার পর, রাত ১ টা পর্যন্ত জাহাঙ্গীর পুলিশ ও তার ভাই আলমগীর জিনোদপুর ইউনিয়নের মেরকুটা গ্রামে মাদক বিক্রি করে আসছে।কিন্তু কেউ তার ভয়ে মুখ খুলতে চায় না।সবাই আতংকে আছে।সে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি মামলার আসামী। যার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর নবীনগর থানার, এফআইআর নং-১২/৩৩, তারিখ- ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১; সময়- ২২.৩০ ঘটিকা। ধারা- ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড-১৮৬০;,এজাহারে অভিযুক্ত আসামী।এছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর নবীনগর থানার, এফআইআর নং-৪/২৬৩, তারিখ- ০৯ অক্টোবর, ২০১৭ সময়- ২৩:২০ ঘটিকা ধারা- ১৯(১) এর ৯(ক)/২৫ ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, এজাহারে অভিযুক্ত আসামী সে। জাহাঙ্গীর পুলিশ চাকুরী থেকে অবসর নেওয়ার পর থেকে গ্রামের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করে যাচ্ছে। সে একজন ভয়ংকর মানুষ। মারামারি করে মানুষকে রক্তান্ত করা তার মূল কাজ। এজন্য মানুষ অত্যাচারিত হয়ে চুপচাপ থাকতে বাধ্য হচ্ছে। মেরকুটা গ্রামে যত বিশৃঙ্খলা হয় তার সবগুলোর পেছনেই জাহাঙ্গীর পুলিশ ও তার ভাই আলমগীরের হাত । বহু মানুষকে মিথ্যা মামলা, হামলা মারধর করে হয়রানি করছে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ জাহাঙ্গীর পুলিশ।
দেশ বিরোধী জাহাঙ্গীর পুলিশ ও আলমগীরের মতন ভয়ংকর মাদক বিক্রেতার কারণে এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং স্কুল-কলেজের ছাত্ররা বিপথগামী হচ্ছে।
অভিযোগকারী শামীম মিয়া লেখেন মামলাবাজ, মাদকাসক্ত জাহাঙ্গীর পুলিশ ও তার ছোট ভাই সন্ত্রাসী আলমগীর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম বিক্রি করে মাদক বিক্রি করে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসলেও তার বিরুদ্ধে কোন আইনগত অভিযান নিতে চোখে পড়েনি। তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। বিষয়টি সরেজমিনে জনস্বার্থে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার অফিসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, যেহেতু জাহাঙ্গীর পুলিশ সদস্য ছিলেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে যেহেতু মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে সেহেতু অভিযোগটি আমরা গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। অচিরেই আমাদের তদন্ত টিম মেরকুটা গ্রামে বিষয়টির সত্যতা জানতে ঘটনাস্থলে যাবে। আমরা জাহাঙ্গীর কিংবা তার ভাই আলমগীরের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেব।
উল্লেখ্য গত ২০ জুলাই অভিযুক্ত আলমগীরের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করেছিলেন জসিমউদদীন নামের আরেক ব্যক্তি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর কিংবা আলমগীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ফোন করা হলে তারা ফোন রিসিভ করেনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
নবীনগর উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়নের মেরকুটা গ্রামে দীর্ঘদিন যাবত সাবেক পুলিশ সদস্য বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত বির্তকিত পুলিশ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম (৬২) পিতা -মৃত ছন্দু মিয়া স্থায়ী: গ্রাম- মেরকুটা (ইউপিঃ জিনোদপুর), উপজেলা/থানা- নবীনগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও তার আপন ছোট ভাই কুখ্যাত মাদক বিক্রেতা মো; আলমগীর (৪৭)মৃত ছন্দু মিয়া স্থায়ী: গ্রাম- মেরকুটা (ইউপিঃ জিনোদপুর), উপজেলা/থানা- নবীনগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া। তিনি ভয়ংকর প্রকৃতির মানুষ হয়। যেহেতু জাহাঙ্গীর আলম পুলিশের সদস্য ছিলো সে মেরকুটা গ্রামে অসহায় মানুষদের উপর জুলুম নির্যাতন করে আসতেছে। সে ইতোমধ্যে মেরকুটা গ্রামের তরুন আইনজীবী তামিমকে রামদা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করার যথেষ্ট প্রমান ও ছবি থাকার পরও প্রভাব খাটিয়ে নিজের নাম বাদ দেয়। এই আলমগীরের ভাই জাহাঙ্গীর এতোটাই ভয়ানক যে সারাক্ষণ মেরকুটা গ্রামের মানুষকে ভয়ের মধ্যে রাখে।সে যেহেতু পুলিশের চাকুরী করতো সেই হিসেবে তার ভয়ে মানুষ কোন কথা বলার সাহস পেতো না। শুধু তাই নয়, এই জাহাঙ্গীর আলম পুলিশ বর্তমানে এলপিআরে থাকলেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে পুলিশের একজন এসপির বাসায় ডাকাতির অভিযোগ। এর ফলে জাহাঙ্গীর পুলিশ চাকুরী থেকে বরখাস্তও হয়েছিলো।কিন্তু আবারও নানান তদবির করে জাহাঙ্গীর আলম একটা ভুয়া কাগজ বানিয়ে আদালকে জানায় সে এসপি সাহেবের বাসার ডাকাতির দিন ডিআইজি অফিসে ডিউটিতে ছিলো।এগুলো একটু তদন্ত করলে সত্যতা পাবেন। শুধু তাই নয়, তা মাদক বিক্রেতা আলমগীর জাহাঙ্গীর পুলিশের ভাই হওয়ায় আলমগীর এলাকার স্বপ্না হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পরও জাহাঙ্গীর আরেকটা ভুয়া কাগজ বানিয়ে আদালতে জমা দেয় স্বপ্না খুনের দিন আলমগীর হাসপাতালে ভর্তি ছিলো। এগুলো একটু সঠিক তদন্ত করলে সব তথ্য বের হয়ে আসবে। জাহাঙ্গীর পুলিশ এই অপকর্মের মূল হোতা। তাকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। আলমগীর সরাসরি মাদক বিক্রি করে জাহাঙ্গীর পুলিশ তাকে প্রশাসনিক সহযোগিতা করে।তার কারণে আলমগীর বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
জাহাঙ্গীর পুলিশ পুলিশের বড় বড় কর্মকর্তার নাম বিক্রি করে এলাকায় ত্রাসের রাজস্ব কায়েম করে আসছে।যেহেতু মাদক বিক্রেতা আলমগীর নিজে মাদক গ্রহণ ও সেবন করে সেহেতুমেরকুটা গ্রামে সে প্রকাশ্যে মাদকদ্রব্য বিক্রয় করে আসছে।যার ফলে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। সে ইয়াবা, গাঁজা, ফেন্সিডিল ইত্যাদি বিক্রি করে আসছে। প্রতিদিন সকাল থেকে মাদক বিক্রি হলেও সন্ধ্যার ৬ টার পর, রাত ১ টা পর্যন্ত জাহাঙ্গীর পুলিশ ও তার ভাই আলমগীর জিনোদপুর ইউনিয়নের মেরকুটা গ্রামে মাদক বিক্রি করে আসছে।কিন্তু কেউ তার ভয়ে মুখ খুলতে চায় না।সবাই আতংকে আছে।সে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি মামলার আসামী। যার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর নবীনগর থানার, এফআইআর নং-১২/৩৩, তারিখ- ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১; সময়- ২২.৩০ ঘটিকা। ধারা- ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড-১৮৬০;,এজাহারে অভিযুক্ত আসামী।এছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর নবীনগর থানার, এফআইআর নং-৪/২৬৩, তারিখ- ০৯ অক্টোবর, ২০১৭ সময়- ২৩:২০ ঘটিকা ধারা- ১৯(১) এর ৯(ক)/২৫ ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, এজাহারে অভিযুক্ত আসামী সে। জাহাঙ্গীর পুলিশ চাকুরী থেকে অবসর নেওয়ার পর থেকে গ্রামের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করে যাচ্ছে। সে একজন ভয়ংকর মানুষ। মারামারি করে মানুষকে রক্তান্ত করা তার মূল কাজ। এজন্য মানুষ অত্যাচারিত হয়ে চুপচাপ থাকতে বাধ্য হচ্ছে। মেরকুটা গ্রামে যত বিশৃঙ্খলা হয় তার সবগুলোর পেছনেই জাহাঙ্গীর পুলিশ ও তার ভাই আলমগীরের হাত । বহু মানুষকে মিথ্যা মামলা, হামলা মারধর করে হয়রানি করছে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ জাহাঙ্গীর পুলিশ।
দেশ বিরোধী জাহাঙ্গীর পুলিশ ও আলমগীরের মতন ভয়ংকর মাদক বিক্রেতার কারণে এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং স্কুল-কলেজের ছাত্ররা বিপথগামী হচ্ছে।
অভিযোগকারী শামীম মিয়া লেখেন মামলাবাজ, মাদকাসক্ত জাহাঙ্গীর পুলিশ ও তার ছোট ভাই সন্ত্রাসী আলমগীর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম বিক্রি করে মাদক বিক্রি করে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসলেও তার বিরুদ্ধে কোন আইনগত অভিযান নিতে চোখে পড়েনি। তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। বিষয়টি সরেজমিনে জনস্বার্থে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার অফিসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, যেহেতু জাহাঙ্গীর পুলিশ সদস্য ছিলেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে যেহেতু মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে সেহেতু অভিযোগটি আমরা গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। অচিরেই আমাদের তদন্ত টিম মেরকুটা গ্রামে বিষয়টির সত্যতা জানতে ঘটনাস্থলে যাবে। আমরা জাহাঙ্গীর কিংবা তার ভাই আলমগীরের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেব।
উল্লেখ্য গত ২০ জুলাই অভিযুক্ত আলমগীরের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করেছিলেন জসিমউদদীন নামের আরেক ব্যক্তি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর কিংবা আলমগীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ফোন করা হলে তারা ফোন রিসিভ করেনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন