পটুয়াখালীর বাউফলে প্রতিবেশী গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগে ফারুক হোসেন নামে জামায়াত নেতা স্থানীয়দের হাতে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাউফল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নাম্বার ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত উল্লেখিত ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে প্রতিবেশী ওই গৃহবধূর বসতঘরের পাশে ফারুককে দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে তাকে আটক করে মুঠোফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করে ওই গৃহবধূর সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা পরকীয়ার অভিযোগে তাকে মারধর করে। পরে তাকে বাউফল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ওই গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগম বলেন, ‘‘ফারুক অনেক দিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিরক্ত করছে। বিভিন্ন সময় টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখিয়েছে। সে আমাদের পরিবারের সঙ্গেও সখ্য গড়ে তোলার চেষ্টা করেছে। প্রতিবেশীরা আগে থেকেই বিষয়টি জানত। একদিন ফারুকের ছেলে আমার ছেলেকে কিছু ছবি দেখালে আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হই। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছে। কিন্তু ফারুক শোধরায়নি।’’
ফারুক হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘‘স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ মৃধা বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার একটি বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের ধরে আমার বিরুদ্ধে পরকীয়ার গুজব ছড়ানো হচ্ছে।’’
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে কিন্তু এ বিষয়ে কোন পক্ষের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নাম্বার ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত উল্লেখিত ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে প্রতিবেশী ওই গৃহবধূর বসতঘরের পাশে ফারুককে দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে তাকে আটক করে মুঠোফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করে ওই গৃহবধূর সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা পরকীয়ার অভিযোগে তাকে মারধর করে। পরে তাকে বাউফল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ওই গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগম বলেন, ‘‘ফারুক অনেক দিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিরক্ত করছে। বিভিন্ন সময় টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখিয়েছে। সে আমাদের পরিবারের সঙ্গেও সখ্য গড়ে তোলার চেষ্টা করেছে। প্রতিবেশীরা আগে থেকেই বিষয়টি জানত। একদিন ফারুকের ছেলে আমার ছেলেকে কিছু ছবি দেখালে আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হই। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছে। কিন্তু ফারুক শোধরায়নি।’’
ফারুক হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘‘স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ মৃধা বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার একটি বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের ধরে আমার বিরুদ্ধে পরকীয়ার গুজব ছড়ানো হচ্ছে।’’
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে কিন্তু এ বিষয়ে কোন পক্ষের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন