ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে কৃষকের আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে খেতের ফসল নষ্ট হয়ে সবজির সরবরাহ কমে গেছে। ফলে প্রতিটি সবজিতে দাম বেড়েছে তিনগুণ থেকে চারগুণ।
ফলে সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে সবজি। দোহার উপজেলার লটাখোলা, জয়পাড়া, পালামগঞ্জ, মেঘুলা ও কার্তিকপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে সবজির সরবরাহ কম। যেগুলোর সরবরাহ আছে তার দাম নাগালের বাইরে।
বাজারে হাতেগোনা কয়েকটি সবজির মধ্যে করল্লা, বেগুন, পটোল, ধুন্দল, ঝিঙা, কাঁচা মরিচ, পুঁইশাক ও লাউশাকের দেখা মেলে। তারপরও এগুলোর সরবরাহ স্বাভাবিক নয়।
বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটোল ৮০-১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ বেড়ে ৩০০ টাকা, ধুন্দল ৭০-৮০ টাকা। প্রকারভেদে প্রতি কেজি পুঁইশাক বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। আগে যেখানে এক কেজি ধুন্দল ১০ থেকে ২০ টাকা, বেগুন ৩০-৪০ টাকা, পটোল ৩০-৪০ টাকা, ঝিঙা ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হতো।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
ফলে সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে সবজি। দোহার উপজেলার লটাখোলা, জয়পাড়া, পালামগঞ্জ, মেঘুলা ও কার্তিকপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে সবজির সরবরাহ কম। যেগুলোর সরবরাহ আছে তার দাম নাগালের বাইরে।
বাজারে হাতেগোনা কয়েকটি সবজির মধ্যে করল্লা, বেগুন, পটোল, ধুন্দল, ঝিঙা, কাঁচা মরিচ, পুঁইশাক ও লাউশাকের দেখা মেলে। তারপরও এগুলোর সরবরাহ স্বাভাবিক নয়।
বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটোল ৮০-১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ বেড়ে ৩০০ টাকা, ধুন্দল ৭০-৮০ টাকা। প্রকারভেদে প্রতি কেজি পুঁইশাক বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। আগে যেখানে এক কেজি ধুন্দল ১০ থেকে ২০ টাকা, বেগুন ৩০-৪০ টাকা, পটোল ৩০-৪০ টাকা, ঝিঙা ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হতো।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন