যশোর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার হওয়া চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে যশোর থেকে চট্টগ্রামে এনে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদেশ দেবেন।
দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, সম্প্রতি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এক যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া সন্ত্রাসী ‘ধামা ইলিয়াস’ পুলিশকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অনুসারী ডেভিড ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
পুলিশ সুপার আরও জানান, গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারে দেশের বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালানো হলেও তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করায় কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়। অবশেষে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে যশোরের ঝিকরগাছা সীমান্তের ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে চার সহযোগীসহ ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তলসহ বিভিন্ন দেশীয় ও বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
একই সময়ে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডেভিড ইমনের সহযোগী মোহাম্মদ রায়হানকে গ্রেপ্তারে আরেকটি অভিযান চালানো হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রায়হান পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেপ্তার হওয়া ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি এবং অস্ত্র আইনের অন্তত ১৩টি মামলা রয়েছে। মোহাম্মদ রায়হান ও ডেভিড ইমন দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন।
এছাড়া টার্গেট কিলিং বা সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যার মাধ্যমে তারা চট্টগ্রামে এক ধরনের আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে যশোর থেকে চট্টগ্রামে এনে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদেশ দেবেন।
দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, সম্প্রতি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এক যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া সন্ত্রাসী ‘ধামা ইলিয়াস’ পুলিশকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অনুসারী ডেভিড ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
পুলিশ সুপার আরও জানান, গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারে দেশের বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালানো হলেও তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করায় কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়। অবশেষে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে যশোরের ঝিকরগাছা সীমান্তের ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে চার সহযোগীসহ ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তলসহ বিভিন্ন দেশীয় ও বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
একই সময়ে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডেভিড ইমনের সহযোগী মোহাম্মদ রায়হানকে গ্রেপ্তারে আরেকটি অভিযান চালানো হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রায়হান পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেপ্তার হওয়া ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি এবং অস্ত্র আইনের অন্তত ১৩টি মামলা রয়েছে। মোহাম্মদ রায়হান ও ডেভিড ইমন দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন।
এছাড়া টার্গেট কিলিং বা সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যার মাধ্যমে তারা চট্টগ্রামে এক ধরনের আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে