মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে একাধিক হামলার ঘটনার পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর ফলে অস্থির বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট নর্থ সি ক্রুডের দাম ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৮ দশমিক ৫৭ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তেল চুক্তি ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৮৩ দশমিক ২৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং নতুন করে হামলা শুরু হওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যের এই সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। এসব হামলায় জ্বালানি অবকাঠামো ও নৌ-পরিবহন পথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে; যেটি একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ নৌপথ এবং যার মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়।
এই জলপথে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটলে তা বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহকে মারাত্মকভাবে সংকুচিত এবং তেলের দাম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলেছেন, এই সংঘাত তেলের বাজারে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুদ প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হ্রাস পাওয়া এবং তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাসের পরিকল্পিত উৎপাদন বৃদ্ধি বিলম্বিত করতে পারে; এমন পূর্বাভাসের কারণেও তেলের দাম বেড়েছে, যা বাজার সরবরাহকে তুলনামূলকভাবে সীমিত রাখছে।
বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি এশিয়ার তেল আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। তেলের এই উচ্চমূল্য দীর্ঘস্থায়ী হলে তা এই অঞ্চলের দেশগুলোর মূল্য পর্যালোচনায় অভ্যন্তরীণ জ্বালানির দামের ওপর চাপ বাড়াতে পারে; যা শেষ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি, পরিবহন খরচ এবং দেশটির মোট আমদানি ব্যয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট নর্থ সি ক্রুডের দাম ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৮ দশমিক ৫৭ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তেল চুক্তি ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৮৩ দশমিক ২৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং নতুন করে হামলা শুরু হওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যের এই সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। এসব হামলায় জ্বালানি অবকাঠামো ও নৌ-পরিবহন পথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে; যেটি একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ নৌপথ এবং যার মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়।
এই জলপথে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটলে তা বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহকে মারাত্মকভাবে সংকুচিত এবং তেলের দাম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলেছেন, এই সংঘাত তেলের বাজারে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুদ প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হ্রাস পাওয়া এবং তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাসের পরিকল্পিত উৎপাদন বৃদ্ধি বিলম্বিত করতে পারে; এমন পূর্বাভাসের কারণেও তেলের দাম বেড়েছে, যা বাজার সরবরাহকে তুলনামূলকভাবে সীমিত রাখছে।
বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি এশিয়ার তেল আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। তেলের এই উচ্চমূল্য দীর্ঘস্থায়ী হলে তা এই অঞ্চলের দেশগুলোর মূল্য পর্যালোচনায় অভ্যন্তরীণ জ্বালানির দামের ওপর চাপ বাড়াতে পারে; যা শেষ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি, পরিবহন খরচ এবং দেশটির মোট আমদানি ব্যয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে