ফেনীর দাগনভূঞায় দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শেষ করে অব্যয়িত ৬১ লাখ ২০ হাজার ৬৪৭ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। প্রশাসনের দাবি, নির্ধারিত গুণগত মান বজায় রেখেই প্রকল্প বাস্তবায়ন করায় বরাদ্দের একটি বড় অংশ ব্যয় হয়নি।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, দাগনভূঞার রাজাপুর ইউনিয়নের বিরলী খাল এবং জায়লস্কর ইউনিয়নের সিলোনিয়া খাল পুনঃখননের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় মোট ১ কোটি ৩ লাখ ৭ হাজার ৯৯০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত ১৭ মে শুরু হওয়া প্রকল্পের কাজ ৩০ জুন শেষ হয়। দুই খালের মোট দৈর্ঘ্য তিন কিলোমিটার।
এক কিলোমিটার দীর্ঘ বিরলী খালের জন্য বরাদ্দ ছিল ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা। এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ১৫ লাখ ৯৫ হাজার ৪৭৪ টাকা। অবশিষ্ট ৩৫ লাখ ৫৮ হাজার ৫২১ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
একইভাবে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ সিলোনিয়া খালের জন্যও একই পরিমাণ বরাদ্দ ছিল। সেখানে ব্যয় হয়েছে ২৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৬৯ টাকা। অব্যয়িত ২৫ লাখ ৬২ হাজার ১২৬ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। দুই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ৪১ লাখ ৮৭ হাজার ৩৪৩ টাকা। ফলে বরাদ্দের অবশিষ্ট ৬১ লাখ ২০ হাজার ৬৪৭ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত যায়।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, পুনঃখননের ফলে খাল দুটির পানি ধারণক্ষমতা ও নাব্যতা বেড়েছে। এতে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন সহজ হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে। প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিরলী খালের পাড়ে ৪০০টি এবং সিলোনিয়া খালের পাড়ে ২০৩টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
রাজাপুর ও জায়লস্কর এলাকার কয়েকজন কৃষক বলেন, আগে বর্ষায় খালে পানি জমে থাকায় আশপাশের জমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হতো। খাল পুনঃখননের পর পানি দ্রুত নেমে যাবে বলে তারা আশা করছেন। এতে সময়মতো সরিষাসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ করা সহজ হবে এবং বছরে একাধিক ফসল উৎপাদনের সুযোগ বাড়বে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, বিরলী ও সিলোনিয়া খাল পুনঃখননের ফলে রাজাপুর, জায়লস্করসহ আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা কমতে শুরু করেছে। সংযোগ খালগুলোও পুনঃখনন করা গেলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে উপজেলার আরও ৩৩টি খাল পুনঃখননের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কৃষি উৎপাদনে বছরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার অর্থনৈতিক সুফল মিলতে পারে।
এ ব্যাপারে দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের কাজের মান বজায় রেখে সরকারি অর্থের সাশ্রয় নিশ্চিত করা হয়েছে। অব্যয়িত ৬১ লাখ ২০ হাজার ৬৪৭ টাকা বিধি অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় কৃষকেরা দীর্ঘমেয়াদে পুনঃখনন করা খালগুলোর সুফল পাবেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, দাগনভূঞার রাজাপুর ইউনিয়নের বিরলী খাল এবং জায়লস্কর ইউনিয়নের সিলোনিয়া খাল পুনঃখননের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় মোট ১ কোটি ৩ লাখ ৭ হাজার ৯৯০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত ১৭ মে শুরু হওয়া প্রকল্পের কাজ ৩০ জুন শেষ হয়। দুই খালের মোট দৈর্ঘ্য তিন কিলোমিটার।
এক কিলোমিটার দীর্ঘ বিরলী খালের জন্য বরাদ্দ ছিল ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা। এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ১৫ লাখ ৯৫ হাজার ৪৭৪ টাকা। অবশিষ্ট ৩৫ লাখ ৫৮ হাজার ৫২১ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
একইভাবে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ সিলোনিয়া খালের জন্যও একই পরিমাণ বরাদ্দ ছিল। সেখানে ব্যয় হয়েছে ২৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৬৯ টাকা। অব্যয়িত ২৫ লাখ ৬২ হাজার ১২৬ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। দুই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ৪১ লাখ ৮৭ হাজার ৩৪৩ টাকা। ফলে বরাদ্দের অবশিষ্ট ৬১ লাখ ২০ হাজার ৬৪৭ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত যায়।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, পুনঃখননের ফলে খাল দুটির পানি ধারণক্ষমতা ও নাব্যতা বেড়েছে। এতে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন সহজ হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে। প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিরলী খালের পাড়ে ৪০০টি এবং সিলোনিয়া খালের পাড়ে ২০৩টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
রাজাপুর ও জায়লস্কর এলাকার কয়েকজন কৃষক বলেন, আগে বর্ষায় খালে পানি জমে থাকায় আশপাশের জমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হতো। খাল পুনঃখননের পর পানি দ্রুত নেমে যাবে বলে তারা আশা করছেন। এতে সময়মতো সরিষাসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ করা সহজ হবে এবং বছরে একাধিক ফসল উৎপাদনের সুযোগ বাড়বে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, বিরলী ও সিলোনিয়া খাল পুনঃখননের ফলে রাজাপুর, জায়লস্করসহ আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা কমতে শুরু করেছে। সংযোগ খালগুলোও পুনঃখনন করা গেলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে উপজেলার আরও ৩৩টি খাল পুনঃখননের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কৃষি উৎপাদনে বছরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার অর্থনৈতিক সুফল মিলতে পারে।
এ ব্যাপারে দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের কাজের মান বজায় রেখে সরকারি অর্থের সাশ্রয় নিশ্চিত করা হয়েছে। অব্যয়িত ৬১ লাখ ২০ হাজার ৬৪৭ টাকা বিধি অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় কৃষকেরা দীর্ঘমেয়াদে পুনঃখনন করা খালগুলোর সুফল পাবেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে