মৌসুম শেষের দিকে। দেশের অনেক বাজারে কাঁঠাল তেমন পাওয়া যায় না। কিন্তু গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জৈনা বাজারে ভিন্ন দৃশ্য দেখা মিলবে। সেখানে বাতাসে ভেসে আসে পাকা কাঁঠালের ঘ্রাণ।
এই বাজারে শনিবার (২৫ জুলাই) প্রায় ৪০ কেজি ওজনের কাঁঠালের দাম হাঁকা হচ্ছে মাত্র ৬০০ টাকা। কেউ মোবাইল ফোনে সেই কাঁঠালের ছবি তুলছেন, কেউ হাত দিয়ে মেপে দেখছেন, আবার কেউ হিসাব কষছেন, একটি কাঁঠালই তো পুরো পরিবারের জন্য যথেষ্ট।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুমের শেষ দিকে এমন দৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না। সাধারণত এ সময় বাজারে কাঁঠালের সরবরাহ কমে যায়। তবে এ বছর প্রকৃতির অনুকূল আবহাওয়ার কারণে কিছু গাছে এখনো বড় আকারের কাঁঠাল ধরে আছে। শুধু আকারেই নয়, স্বাদেও ভালো হওয়ায় এসব কাঁঠালের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ কমেনি।
কাঁঠাল কিনতে আসা ক্রেতা রতন হাসতে হাসতে বলেন, “এত বড় কাঁঠাল জীবনে খুব কমই দেখেছি। দামও তুলনামূলক কম। তাই অনেকে শুধু কৌতূহল থেকে কিনছেন। আবার কেউ পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে ভাগ করে খাওয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছেন।”
বাজারের ব্যবসায়ী তোফায়েল জানান, সকাল গড়াতে একে একে কাঁঠালভর্তি ভ্যান ও যানবাহন বাজারে এসে পৌঁছায়। বড় কাঁঠালের পাশাপাশি মাঝারি ও ছোট কাঁঠালেরও ভালো চাহিদা রয়েছে। ফলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাজারজুড়ে চলে দরদাম, কেনাবেচা আর ক্রেতাদের ভিড়।
দেশের অন্যতম কাঁঠাল উৎপাদন এলাকা হিসেবে গাজীপুরের শ্রীপুরের সুনাম বহুদিনের। এখানকার বাগানের কাঁঠাল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। মৌসুম প্রায় শেষ হয়ে এলেও জৈনা বাজারের প্রাণচাঞ্চল্য যেন জানিয়ে দিচ্ছে, কাঁঠালের রাজধানী হিসেবে শ্রীপুরের পরিচিতি এখনো মলিন হয়নি।
বিশাল সেই ৪০ কেজির কাঁঠালটি যেন বিদায়ী মৌসুমের শেষ চমক হয়ে ক্রেতাদের মনে আলাদা কৌতূহল আর আনন্দের রেশ ছড়িয়ে দিচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
এই বাজারে শনিবার (২৫ জুলাই) প্রায় ৪০ কেজি ওজনের কাঁঠালের দাম হাঁকা হচ্ছে মাত্র ৬০০ টাকা। কেউ মোবাইল ফোনে সেই কাঁঠালের ছবি তুলছেন, কেউ হাত দিয়ে মেপে দেখছেন, আবার কেউ হিসাব কষছেন, একটি কাঁঠালই তো পুরো পরিবারের জন্য যথেষ্ট।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুমের শেষ দিকে এমন দৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না। সাধারণত এ সময় বাজারে কাঁঠালের সরবরাহ কমে যায়। তবে এ বছর প্রকৃতির অনুকূল আবহাওয়ার কারণে কিছু গাছে এখনো বড় আকারের কাঁঠাল ধরে আছে। শুধু আকারেই নয়, স্বাদেও ভালো হওয়ায় এসব কাঁঠালের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ কমেনি।
কাঁঠাল কিনতে আসা ক্রেতা রতন হাসতে হাসতে বলেন, “এত বড় কাঁঠাল জীবনে খুব কমই দেখেছি। দামও তুলনামূলক কম। তাই অনেকে শুধু কৌতূহল থেকে কিনছেন। আবার কেউ পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে ভাগ করে খাওয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছেন।”
বাজারের ব্যবসায়ী তোফায়েল জানান, সকাল গড়াতে একে একে কাঁঠালভর্তি ভ্যান ও যানবাহন বাজারে এসে পৌঁছায়। বড় কাঁঠালের পাশাপাশি মাঝারি ও ছোট কাঁঠালেরও ভালো চাহিদা রয়েছে। ফলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাজারজুড়ে চলে দরদাম, কেনাবেচা আর ক্রেতাদের ভিড়।
দেশের অন্যতম কাঁঠাল উৎপাদন এলাকা হিসেবে গাজীপুরের শ্রীপুরের সুনাম বহুদিনের। এখানকার বাগানের কাঁঠাল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। মৌসুম প্রায় শেষ হয়ে এলেও জৈনা বাজারের প্রাণচাঞ্চল্য যেন জানিয়ে দিচ্ছে, কাঁঠালের রাজধানী হিসেবে শ্রীপুরের পরিচিতি এখনো মলিন হয়নি।
বিশাল সেই ৪০ কেজির কাঁঠালটি যেন বিদায়ী মৌসুমের শেষ চমক হয়ে ক্রেতাদের মনে আলাদা কৌতূহল আর আনন্দের রেশ ছড়িয়ে দিচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন