বরিশালের আগৈলঝাড়া সিমান্ত এলাকার গৌরনদীতে নির্মাণাধীন ঢালাইয়ের ব্রিজ। কাজ শেষ হবার আগে ধসে পড়ায় কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।শুক্রবার (২৪ জুলাই) ব্রিজ ধসের বিষয়টি প্রকাশ্য এসেছে।
গৌরনদী উপজেলা দুর্যোগ ও ত্রান কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে আহম্মেদকাঠী গ্রামের মৃধাবাড়ির সামনে ব্রীজ নির্মানের দরপত্র বিজয়ী হয় ডায়নামিক আইটি শপ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। তবে আবুল ফয়েজ শরীফ নামের এক ঠিকাদার মূল ঠিকাদারের কাছ থেকে ক্রয় করে ব্রীজ নির্মাণ করছেন।
স্থানীয় হাবিবুর রহমান মৃধা ও জয়নাল মৃধাস জানান, ব্রীজ নির্মাণে পাটাতন (সাটারিং) পুরনো ও অনুপযুক্ত বাঁশ ব্যবহার করে পানির মধ্যে সাটারিং তৈরি করা হয়।
ওই সাটারিংয়ের ওপর বুধবার দুপুরে ব্রীজের ঢালাই দেওয়া হয়। এতে ঢালাইয়ের চাপ সহ্য করতে না পেরে ঢালাইসহ পাটাতন খালের মধ্যে ধ্বসে পড়ে।
ঠিকাদার আবুল ফয়েজ শরীফ বলেন, ‘আমরা গৌরনদী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র দাসকে জানিয়ে ঢালাই দিয়েছি। নিচের স্ট্রাকচার ভাল না থাকায় ঢালাই দেওয়ার শুরুতেই সাটারিং ভেঙে পড়েছে। এটা আবার পুনরায় সাটারিং করে ঢালাইয়ের কাজ করা হবে।’
গৌরনদী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমাদের কাউকে না জানিয়ে ঠিকাদার ঢালাই দিয়েছেন। এখন শুনেছি সেটা খালের মধ্যে ভেঙে পড়েছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।’
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীম জানিয়েছেন, কাজের গুণগত মানে কোন ত্রুটি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
গৌরনদী উপজেলা দুর্যোগ ও ত্রান কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে আহম্মেদকাঠী গ্রামের মৃধাবাড়ির সামনে ব্রীজ নির্মানের দরপত্র বিজয়ী হয় ডায়নামিক আইটি শপ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। তবে আবুল ফয়েজ শরীফ নামের এক ঠিকাদার মূল ঠিকাদারের কাছ থেকে ক্রয় করে ব্রীজ নির্মাণ করছেন।
স্থানীয় হাবিবুর রহমান মৃধা ও জয়নাল মৃধাস জানান, ব্রীজ নির্মাণে পাটাতন (সাটারিং) পুরনো ও অনুপযুক্ত বাঁশ ব্যবহার করে পানির মধ্যে সাটারিং তৈরি করা হয়।
ওই সাটারিংয়ের ওপর বুধবার দুপুরে ব্রীজের ঢালাই দেওয়া হয়। এতে ঢালাইয়ের চাপ সহ্য করতে না পেরে ঢালাইসহ পাটাতন খালের মধ্যে ধ্বসে পড়ে।
ঠিকাদার আবুল ফয়েজ শরীফ বলেন, ‘আমরা গৌরনদী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র দাসকে জানিয়ে ঢালাই দিয়েছি। নিচের স্ট্রাকচার ভাল না থাকায় ঢালাই দেওয়ার শুরুতেই সাটারিং ভেঙে পড়েছে। এটা আবার পুনরায় সাটারিং করে ঢালাইয়ের কাজ করা হবে।’
গৌরনদী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমাদের কাউকে না জানিয়ে ঠিকাদার ঢালাই দিয়েছেন। এখন শুনেছি সেটা খালের মধ্যে ভেঙে পড়েছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।’
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীম জানিয়েছেন, কাজের গুণগত মানে কোন ত্রুটি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন