উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশ বহাল থাকা সত্ত্বেও স্থাপনা উচ্ছেদ করে আদালত অবমাননার দায়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সাবেক এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন হাইকোর্ট। তারা হলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের তৎকালীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন এবং তৎকালীন ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্বাস আলী সরদার।
তবে একই মামলায় তৎকালীন সচিবকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আদালত অবমাননার অভিযোগে দুই বছর আগে করা এক আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আলমগীর মোস্তাফিজুর রহমান। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জাফর সাদেক। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী।
রায়ের পর আইনজীবী জাফর সাদেক বলেন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের তৎকালীন সচিব, ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়। আদালত তৎকালীন সচিবকে অব্যাহতি দিয়েছেন। তবে শাস্তি হিসেবে তৎকালীন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার বহরমপুর মৌজায় অবস্থিত ০ দশমিক ২৮০ একর বিতর্কিত জমিকে কেন্দ্র করে এ বিরোধের সূত্রপাত। ওই জমিতে থাকা মিম ফার্মা অ্যান্ড মেডিকেল সার্ভিস, ওয়াসিক হল, সূচনা মেডিকেল, রায়হান হার্ডওয়্যার এবং স্টুডিও হেভেন উচ্ছেদের জন্য ২০১০ সালের ৩০ মার্চ নোটিশ দেয় সিটি করপোরেশন।
নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক সৈয়দ আলতাফ হোসেন, ওবায়দুর রহমানসহ পাঁচ ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ২০১০ সালের ১১ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল জারি করেন এবং ওই ভূমির বিষয়ে তিন মাসের জন্য পক্ষগুলোকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দেন। পরে একই বছরের ২২ জুলাই রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সেই স্থিতাবস্থার আদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়।
আবেদনকারীপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, স্থিতাবস্থার আদেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ২০২৪ সালের ৮ এপ্রিল রিট আবেদনকারী ও ভাড়াটিয়াদের দোকান খালি করতে নোটিশ দেন। পরে হাইকোর্টের স্থিতাবস্থার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কোনও ধরনের নোটিশ ছাড়াই ২০২৪ সালের ২৬ এপ্রিল রিট আবেদনকারীদের সম্পত্তি ও দোকানপাট ভেঙে দেয়া হয়।
এরপর আদালত অবমাননার অভিযোগে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের তৎকালীন সচিব, ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্বাস আলী সরদার এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে আদালত অবমাননার আবেদন করেন রিট আবেদনকারীরা। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে ২০২৪ সালের ২৬ জুন হাইকোর্ট আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় দেয়া হলো।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
তবে একই মামলায় তৎকালীন সচিবকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আদালত অবমাননার অভিযোগে দুই বছর আগে করা এক আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আলমগীর মোস্তাফিজুর রহমান। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জাফর সাদেক। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী।
রায়ের পর আইনজীবী জাফর সাদেক বলেন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের তৎকালীন সচিব, ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়। আদালত তৎকালীন সচিবকে অব্যাহতি দিয়েছেন। তবে শাস্তি হিসেবে তৎকালীন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার বহরমপুর মৌজায় অবস্থিত ০ দশমিক ২৮০ একর বিতর্কিত জমিকে কেন্দ্র করে এ বিরোধের সূত্রপাত। ওই জমিতে থাকা মিম ফার্মা অ্যান্ড মেডিকেল সার্ভিস, ওয়াসিক হল, সূচনা মেডিকেল, রায়হান হার্ডওয়্যার এবং স্টুডিও হেভেন উচ্ছেদের জন্য ২০১০ সালের ৩০ মার্চ নোটিশ দেয় সিটি করপোরেশন।
নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক সৈয়দ আলতাফ হোসেন, ওবায়দুর রহমানসহ পাঁচ ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ২০১০ সালের ১১ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল জারি করেন এবং ওই ভূমির বিষয়ে তিন মাসের জন্য পক্ষগুলোকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দেন। পরে একই বছরের ২২ জুলাই রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সেই স্থিতাবস্থার আদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়।
আবেদনকারীপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, স্থিতাবস্থার আদেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ২০২৪ সালের ৮ এপ্রিল রিট আবেদনকারী ও ভাড়াটিয়াদের দোকান খালি করতে নোটিশ দেন। পরে হাইকোর্টের স্থিতাবস্থার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কোনও ধরনের নোটিশ ছাড়াই ২০২৪ সালের ২৬ এপ্রিল রিট আবেদনকারীদের সম্পত্তি ও দোকানপাট ভেঙে দেয়া হয়।
এরপর আদালত অবমাননার অভিযোগে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের তৎকালীন সচিব, ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্বাস আলী সরদার এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে আদালত অবমাননার আবেদন করেন রিট আবেদনকারীরা। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে ২০২৪ সালের ২৬ জুন হাইকোর্ট আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় দেয়া হলো।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন