অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে শুক্রবারই (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে চলে যাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদে থাকা-না থাকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তবে সংবিধান অনুযায়ী তাঁর কাছেই শপথ নেয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। পরে ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছেই শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি।
গত দুই বছরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন রাষ্ট্রপতির অপসারণের দাবি জানালেও তাতে সমর্থন দেয়নি বিএনপি। বরং তাকে দায়িত্বে রাখার পক্ষে অবস্থান নেয় দলটি।
জানা যায়, চলতি মাসের শুরুতে রাষ্ট্রপতিকে মৌখিকভাবে পদত্যাগের অনুরোধ জানায় বিএনপি সরকার। এ সময় তিনি কিছুটা সময় চান। এর মধ্যে তাঁর পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করছেন। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, শুক্রবার দুপুর নাগাদ পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাতে পারেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিকভাবে অসুস্থ। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) করা সিটি স্ক্যান ও এমআরআই পরীক্ষায় তার স্নায়ুবিষয়ক জটিলতা ধরা পড়েছে। এ কারণে পদত্যাগের পর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে আরও দাবি করা হয়েছে, চলতি বছরের ৯ মে রাষ্ট্রপতি লন্ডনে যান এবং ১৮ মে দেশে ফেরেন। ওই সফরের সময় তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিষয়টি জানতে পারার পরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয় বলেও খবরে দাবি করা হয়েছে।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকালে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে দেওয়া এক হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় এ তথ্য জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘এটি কল্পনার বাইরে।’’
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করতে অপারগ হলে বা পদত্যাগ করতে চাইলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বিধান রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে চলে যাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদে থাকা-না থাকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তবে সংবিধান অনুযায়ী তাঁর কাছেই শপথ নেয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। পরে ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছেই শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি।
গত দুই বছরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন রাষ্ট্রপতির অপসারণের দাবি জানালেও তাতে সমর্থন দেয়নি বিএনপি। বরং তাকে দায়িত্বে রাখার পক্ষে অবস্থান নেয় দলটি।
জানা যায়, চলতি মাসের শুরুতে রাষ্ট্রপতিকে মৌখিকভাবে পদত্যাগের অনুরোধ জানায় বিএনপি সরকার। এ সময় তিনি কিছুটা সময় চান। এর মধ্যে তাঁর পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করছেন। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, শুক্রবার দুপুর নাগাদ পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাতে পারেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিকভাবে অসুস্থ। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) করা সিটি স্ক্যান ও এমআরআই পরীক্ষায় তার স্নায়ুবিষয়ক জটিলতা ধরা পড়েছে। এ কারণে পদত্যাগের পর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে আরও দাবি করা হয়েছে, চলতি বছরের ৯ মে রাষ্ট্রপতি লন্ডনে যান এবং ১৮ মে দেশে ফেরেন। ওই সফরের সময় তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিষয়টি জানতে পারার পরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয় বলেও খবরে দাবি করা হয়েছে।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকালে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে দেওয়া এক হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় এ তথ্য জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘এটি কল্পনার বাইরে।’’
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করতে অপারগ হলে বা পদত্যাগ করতে চাইলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বিধান রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে