শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলার পাহাড়ি নদীর ঢলে শত শত একর ফসলি জমিতে বালুর স্তর পড়েছে। ঢলে সৃষ্ট বন্যা, নদীভাঙন, ফসলের মাঠ ও ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক কৃষকদের জন্য এসব জমি থেকে বালুর স্তর সরিয়ে পুনরায় চাষাবাদ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। কেউ কেউ আবার এসব জমিতে আবাদ করাই ছেড়ে দিয়েছেন।
তবে জেলার ওই তিন উপজেলায় কী পরিমাণ ফসলি জমিতে বালুর স্তর পড়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য কী করণীয়, সে বিষয়ে শেরপুর জেলা ও উপজেলা কৃষি বিভাগের কাছে কোনো তথ্য নেই।
জানা গেছে, চলতি বছর শেরপুরের পাহাড়ি নদী ভোগাই, চেল্লাখালী, মহারশী ও সোমেশ্বরীতে চার দফায় পাহাড়ি ঢল নেমে আসে। সর্বশেষ ২২ জুলাই পর্যন্ত নদীগুলোর পানি কমে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলোর চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপার ইউনিয়নের চেল্লাখালী নদীর পাড়সংলগ্ন গোল্লারপাড় গ্রামের কৃষক আমির হোসেন, আলীম, লিটন, নূরুল আমিন, রাজু, উসমান গণিসহ স্থানীয় অনেক কৃষকের অন্তত ২০ থেকে ৩০ একর আবাদি জমিতে ঢলের পানির সঙ্গে আসা বালু জমেছে। এতে আসন্ন আমন মৌসুমে আবাদ করা দুরূহ হয়ে পড়বে বলে জানান তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত চেল্লাখালী নদীর গোল্লারপাড় এলাকার ভেঙে যাওয়া প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামত করা হোক। তা না হলে চলতি মৌসুমে আবারও পাহাড়ি ঢলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল গ্রামের সোমেশ্বরী নদীর পাড়সংলগ্ন বালু জমা ফসলি জমির কৃষকেরা জানান, কয়েক দফা পাহাড়ি ঢলে নদীর পাড় ভেঙেছে, আমনের বীজতলা নষ্ট হয়েছে, ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ঢলে কয়েক একর জমিতে বালুর স্তর পড়ে গেছে। এখন তারা কীভাবে চাষাবাদ করবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন এবং জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ফসলি জমিতে বালুর স্তর পড়েছে—এমন কোনো অভিযোগ এখন পর্যন্ত কৃষকদের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। তাই কী পরিমাণ জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে তারা বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন বলে জানান।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
তবে জেলার ওই তিন উপজেলায় কী পরিমাণ ফসলি জমিতে বালুর স্তর পড়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য কী করণীয়, সে বিষয়ে শেরপুর জেলা ও উপজেলা কৃষি বিভাগের কাছে কোনো তথ্য নেই।
জানা গেছে, চলতি বছর শেরপুরের পাহাড়ি নদী ভোগাই, চেল্লাখালী, মহারশী ও সোমেশ্বরীতে চার দফায় পাহাড়ি ঢল নেমে আসে। সর্বশেষ ২২ জুলাই পর্যন্ত নদীগুলোর পানি কমে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলোর চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপার ইউনিয়নের চেল্লাখালী নদীর পাড়সংলগ্ন গোল্লারপাড় গ্রামের কৃষক আমির হোসেন, আলীম, লিটন, নূরুল আমিন, রাজু, উসমান গণিসহ স্থানীয় অনেক কৃষকের অন্তত ২০ থেকে ৩০ একর আবাদি জমিতে ঢলের পানির সঙ্গে আসা বালু জমেছে। এতে আসন্ন আমন মৌসুমে আবাদ করা দুরূহ হয়ে পড়বে বলে জানান তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত চেল্লাখালী নদীর গোল্লারপাড় এলাকার ভেঙে যাওয়া প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামত করা হোক। তা না হলে চলতি মৌসুমে আবারও পাহাড়ি ঢলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল গ্রামের সোমেশ্বরী নদীর পাড়সংলগ্ন বালু জমা ফসলি জমির কৃষকেরা জানান, কয়েক দফা পাহাড়ি ঢলে নদীর পাড় ভেঙেছে, আমনের বীজতলা নষ্ট হয়েছে, ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ঢলে কয়েক একর জমিতে বালুর স্তর পড়ে গেছে। এখন তারা কীভাবে চাষাবাদ করবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন এবং জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ফসলি জমিতে বালুর স্তর পড়েছে—এমন কোনো অভিযোগ এখন পর্যন্ত কৃষকদের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। তাই কী পরিমাণ জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে তারা বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন বলে জানান।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে