রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে গ্যাসের তীব্র সংকট চলছে। এতে শিল্প উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ঘর-গৃহস্থালিতে রান্নাবান্নায় ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও একেবারে গ্যাস মিলছেই না। পাশাপাশি গ্যাসচালিত যানবাহনগুলো নিয়েও চরম দুর্ভোগের শিকার মালিক-চালকেরা।
বুধবার (২২ জুলাই) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত রাজধানীর সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো ঘুরে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করেও নিম্নচাপের কারণে খুব সামান্যই গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। আবার অনেক জায়গায় গ্যাস না পেয়ে স্টেশন বন্ধ রাখতে বাধ্য হন মালিকরা।
এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বুধবার বিকেলে জরুরি ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে, দেশে এমনিতেই চাহিদার তুলনায় গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহ কম। তার ওপর মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে গেছে।
এতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পগ্রাহকদের ভোগান্তি আরো বেড়েছে। অনেক এলাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় চুলায় আগুন জ্বলছে না। শিল্পাঞ্চলের অনেক কারখানাও গ্যাসের প্রয়োজনীয় চাপ না পাওয়ায় উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে।
তবে ত্রুটি মেরামত চলছে, আগামী দুইদিনের মধ্যে সমাধান হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়। আর সিএনজি স্টেশনে সংকট খুবই সাময়িক, এটি থাকবে না বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে।
এদিকে জ্বালানি বিভাগ বলছে, এফএসআরইউটির কারিগরি ত্রুটিকে দায়ী করা হলেও, জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা আমদানিনির্ভরতা এই পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিগত সময়ে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে পর্যাপ্ত জোর না দেওয়ায় আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আমদানি অবকাঠামোর যেকোনো একটিতে ত্রুটি দেখা দিলে পুরো জাতীয় গ্যাস সরবরাহব্যবস্থা চাপের মুখে পড়ে।
এই দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা সমাধানে আমদানি নির্ভরতা পর্যায়ক্রমে কমিয়ে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে একশটি কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় বেগমগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ এলাকায় সাত শ উনত্রিশ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি কূপ খননের একটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।
দেশের স্থলভাগ ও সমুদ্রসীমায় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করার লক্ষ্যে অনশোর এবং অফশোর মডেল পিএসসির আওতায় দরপত্র আহ্বানের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার কার্যক্রম চলমান। তবে জ্বালানি খাতের অনুসন্ধান থেকে শুরু করে কূপ খনন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করা একটি দীর্ঘমেয়াদী ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। তাই পুঞ্জীভূত এই সংকটের স্থায়ী সমাধান রাতারাতি সম্ভব না হলেও সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বুধবার (২২ জুলাই) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত রাজধানীর সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো ঘুরে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করেও নিম্নচাপের কারণে খুব সামান্যই গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। আবার অনেক জায়গায় গ্যাস না পেয়ে স্টেশন বন্ধ রাখতে বাধ্য হন মালিকরা।
এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বুধবার বিকেলে জরুরি ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে, দেশে এমনিতেই চাহিদার তুলনায় গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহ কম। তার ওপর মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে গেছে।
এতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পগ্রাহকদের ভোগান্তি আরো বেড়েছে। অনেক এলাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় চুলায় আগুন জ্বলছে না। শিল্পাঞ্চলের অনেক কারখানাও গ্যাসের প্রয়োজনীয় চাপ না পাওয়ায় উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে।
তবে ত্রুটি মেরামত চলছে, আগামী দুইদিনের মধ্যে সমাধান হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়। আর সিএনজি স্টেশনে সংকট খুবই সাময়িক, এটি থাকবে না বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে।
এদিকে জ্বালানি বিভাগ বলছে, এফএসআরইউটির কারিগরি ত্রুটিকে দায়ী করা হলেও, জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা আমদানিনির্ভরতা এই পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিগত সময়ে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে পর্যাপ্ত জোর না দেওয়ায় আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আমদানি অবকাঠামোর যেকোনো একটিতে ত্রুটি দেখা দিলে পুরো জাতীয় গ্যাস সরবরাহব্যবস্থা চাপের মুখে পড়ে।
এই দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা সমাধানে আমদানি নির্ভরতা পর্যায়ক্রমে কমিয়ে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে একশটি কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় বেগমগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ এলাকায় সাত শ উনত্রিশ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি কূপ খননের একটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।
দেশের স্থলভাগ ও সমুদ্রসীমায় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করার লক্ষ্যে অনশোর এবং অফশোর মডেল পিএসসির আওতায় দরপত্র আহ্বানের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার কার্যক্রম চলমান। তবে জ্বালানি খাতের অনুসন্ধান থেকে শুরু করে কূপ খনন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করা একটি দীর্ঘমেয়াদী ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। তাই পুঞ্জীভূত এই সংকটের স্থায়ী সমাধান রাতারাতি সম্ভব না হলেও সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে