চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি করা হয়েছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেনকে। তাকে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসিকিউশনের আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ নির্দেশ দেন।
প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি গ্রেফতার হওয়া মোজাফফর হোসেনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার আবেদন জানান।
শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর বর্তমানে মোজাফফর হোসেন মিলিটারি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন করা হয়েছে।
শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল তাকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন।
এ সময় প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, শাইখ মাহদী, মঈনুল করিমসহ রাষ্ট্রপক্ষের অন্যান্য আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সোমবার (২০ জুলাই) মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। রাজধানীর পিলখানায় শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফ হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, মেজর (অব.) মোজাফফরের সহযোগীদের বিচারও সামরিক আদালতে হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ভিন্ন পরিচয়ে পার্শ্ববর্তী একটি দেশে পলাতক ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে সেনা আইনে বিচার করার জন্য সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে তার বিচারটা নিশ্চিত করা হবে।
প্রসঙ্গত, প্রায় ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন মেজর (অব.) মোজাফফর। গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
প্রসিকিউশনের আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ নির্দেশ দেন।
প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি গ্রেফতার হওয়া মোজাফফর হোসেনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার আবেদন জানান।
শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর বর্তমানে মোজাফফর হোসেন মিলিটারি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন করা হয়েছে।
শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল তাকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন।
এ সময় প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, শাইখ মাহদী, মঈনুল করিমসহ রাষ্ট্রপক্ষের অন্যান্য আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সোমবার (২০ জুলাই) মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। রাজধানীর পিলখানায় শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফ হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, মেজর (অব.) মোজাফফরের সহযোগীদের বিচারও সামরিক আদালতে হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ভিন্ন পরিচয়ে পার্শ্ববর্তী একটি দেশে পলাতক ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে সেনা আইনে বিচার করার জন্য সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে তার বিচারটা নিশ্চিত করা হবে।
প্রসঙ্গত, প্রায় ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন মেজর (অব.) মোজাফফর। গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে