নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)-এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে হরতালসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে রাজশাহী মহানগর বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা।
তাদের দাবি, প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত থেকে সরকার সরে না এলে রাজশাহীতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সোমবার (২১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর হেতেম খাঁ এলাকায় নেসকোর প্রধান কার্যালয়ের সামনে ‘রাজশাহীবাসী’র ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। পরে নেসকোর নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) আফাজ উদ্দিনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন— রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর রশিদ মামুন। বোয়ালিয়া থানা (পশ্চিম) বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম মিলুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল হুদা।
বক্তারা বলেন, রাজশাহী একটি ঐতিহ্যবাহী বিভাগীয় শহর। দীর্ঘদিন ধরে এখান থেকেই নেসকোর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এমন অবস্থায় প্রধান কার্যালয় অন্যত্র স্থানান্তরের উদ্যোগ রাজশাহীর মানুষের স্বার্থবিরোধী।
তাদের ভাষ্য, নেসকোর প্রধান কার্যালয় সরিয়ে নেওয়া হলে শুধু একটি অফিসই স্থানান্তর হবে না, এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি বিভাগীয় শহর হিসেবে রাজশাহীর প্রশাসনিক গুরুত্বও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, বিশেষ মহলের প্রভাব ও রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে রাজশাহীর দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক গুরুত্ব ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা হলে রাজশাহীবাসী তা প্রতিহত করবে।
তারা আরও উল্লেখ করেন, রাজশাহীর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব হচ্ছে এলাকার স্বার্থ রক্ষা করা। নেসকোর প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়, নেসকোর প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর বাস্তবায়িত হলে রাজশাহীর প্রশাসনিক গুরুত্ব কমে যাবে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত প্রশাসনিক কাঠামো ও জনসেবামূলক কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই বহাল রাখতে সরকারের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন— বোয়ালিয়া থানা (পূর্ব) বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম নিপু, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, বোয়ালিয়া থানা (পশ্চিম) বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বজলুজ্জামান মহন, চন্দ্রিমা থানা বিএনপির আহ্বায়ক ফাইজুল ইসলাম ফাহি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন বিপ্লব, মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক শরফুজ্জামান শামীম, মহানগর শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম পাখি, সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন, মহানগর তাঁতি দলের সভাপতি কাজল, মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ তপনসহ অন্য নেতারা।
গত ১৬ জুলাই বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স-১ শাখা থেকে নেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের আর্থিক ও প্রশাসনিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে মতামত দিতে বলা হয়। ওই চিঠির পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজশাহীতে আলোচনা ও প্রতিবাদ শুরু হয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
তাদের দাবি, প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত থেকে সরকার সরে না এলে রাজশাহীতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সোমবার (২১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর হেতেম খাঁ এলাকায় নেসকোর প্রধান কার্যালয়ের সামনে ‘রাজশাহীবাসী’র ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। পরে নেসকোর নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) আফাজ উদ্দিনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন— রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর রশিদ মামুন। বোয়ালিয়া থানা (পশ্চিম) বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম মিলুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল হুদা।
বক্তারা বলেন, রাজশাহী একটি ঐতিহ্যবাহী বিভাগীয় শহর। দীর্ঘদিন ধরে এখান থেকেই নেসকোর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এমন অবস্থায় প্রধান কার্যালয় অন্যত্র স্থানান্তরের উদ্যোগ রাজশাহীর মানুষের স্বার্থবিরোধী।
তাদের ভাষ্য, নেসকোর প্রধান কার্যালয় সরিয়ে নেওয়া হলে শুধু একটি অফিসই স্থানান্তর হবে না, এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি বিভাগীয় শহর হিসেবে রাজশাহীর প্রশাসনিক গুরুত্বও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, বিশেষ মহলের প্রভাব ও রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে রাজশাহীর দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক গুরুত্ব ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা হলে রাজশাহীবাসী তা প্রতিহত করবে।
তারা আরও উল্লেখ করেন, রাজশাহীর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব হচ্ছে এলাকার স্বার্থ রক্ষা করা। নেসকোর প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়, নেসকোর প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর বাস্তবায়িত হলে রাজশাহীর প্রশাসনিক গুরুত্ব কমে যাবে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত প্রশাসনিক কাঠামো ও জনসেবামূলক কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই বহাল রাখতে সরকারের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন— বোয়ালিয়া থানা (পূর্ব) বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম নিপু, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, বোয়ালিয়া থানা (পশ্চিম) বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বজলুজ্জামান মহন, চন্দ্রিমা থানা বিএনপির আহ্বায়ক ফাইজুল ইসলাম ফাহি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন বিপ্লব, মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক শরফুজ্জামান শামীম, মহানগর শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম পাখি, সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন, মহানগর তাঁতি দলের সভাপতি কাজল, মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ তপনসহ অন্য নেতারা।
গত ১৬ জুলাই বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স-১ শাখা থেকে নেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের আর্থিক ও প্রশাসনিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে মতামত দিতে বলা হয়। ওই চিঠির পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজশাহীতে আলোচনা ও প্রতিবাদ শুরু হয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে