বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। মাঠের লড়াইয়ের আগেই কে জিতবে আর্জেন্টিনা না স্পেন এই প্রশ্ন ঘিরে চলছে নানা জল্পনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে আধ্যাত্মিক শামন, এমনকি চিড়িয়াখানার প্রাণীরাও হয়ে উঠেছে ‘ভবিষ্যদ্বাণী’র তারকা। যদিও এসবের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই, তবু ফুটবলপ্রেমীদের কৌতূহল বাড়িয়ে দিচ্ছে এই অদ্ভুত সব পূর্বাভাস।
পেরুর একদল আধ্যাত্মিক শামন দাবি করেছেন, 'কঠিন লড়াইয়ের পরও শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাই জিতবে।' শামন হুয়ান দে দিয়োস গার্সিয়া বলেন, 'আধ্যাত্মিক শক্তির ইঙ্গিত অনুযায়ী মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে।'
ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোর বায়ো পার্কে থাকা ‘পটি’ নামের এক জাগুয়ারকে সামনে রেখে বিশেষ আয়োজন করা হয়। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের পতাকা লাগানো দুটি বক্সের সামনে রাখা হয় প্রাণীটিকে। ঘ্রাণ নিয়ে ও পর্যবেক্ষণ করে পটি আর্জেন্টিনার বক্সটি বেছে নেয়। পার্ক কর্তৃপক্ষ এটিকে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য জয়ের প্রতীক হিসেবে দেখছে।
অন্যদিকে থাইল্যান্ডের খন কায়েন চিড়িয়াখানার সিংহ ‘বয়’ ভিন্ন ইঙ্গিত দিয়েছে। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের পতাকার নিচে প্রিয় খাবার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। তিনবারের পরীক্ষায় দুইবার স্পেনের পতাকার নিচের খাবার বেছে নেয় সিংহটি। ফলে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের এই প্রতীকী পূর্বাভাস অনুযায়ী স্পেনই হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।
এর আগে সেমিফাইনাল ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও ‘বয়’-এর পূর্বাভাস মিলে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা। তবে পরিচালক থিপাওয়াদি কিত্তিখুন স্পষ্ট করে বলেছেন, এটি কোনো গুরুতর ভবিষ্যদ্বাণী নয়। মূল উদ্দেশ্য ছিল সিংহের স্বাভাবিক আচরণ উৎসাহিত করা, তার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা এবং দর্শকদের বিনোদন দেওয়া। তিনি জুয়া বা বাজির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই বলেও উল্লেখ করেন।
প্রাণীদের দিয়ে ম্যাচের ফল অনুমানের ধারা নতুন নয়। ২০১০ সালে জার্মানির অক্টোপাস ‘পল’ একের পর এক সঠিক পূর্বাভাস দিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার ঝড় তুলেছিল। এরপর হাতি, গরিলা, হাঙরসহ নানা প্রাণীকে এমন আয়োজনে দেখা গেছে। চলতি বিশ্বকাপেও ব্রাজিলের হাঙর ‘রিতিনিয়া’সহ আরও কয়েকটি প্রাণী এই তালিকায় যোগ হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
পেরুর একদল আধ্যাত্মিক শামন দাবি করেছেন, 'কঠিন লড়াইয়ের পরও শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাই জিতবে।' শামন হুয়ান দে দিয়োস গার্সিয়া বলেন, 'আধ্যাত্মিক শক্তির ইঙ্গিত অনুযায়ী মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে।'
ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোর বায়ো পার্কে থাকা ‘পটি’ নামের এক জাগুয়ারকে সামনে রেখে বিশেষ আয়োজন করা হয়। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের পতাকা লাগানো দুটি বক্সের সামনে রাখা হয় প্রাণীটিকে। ঘ্রাণ নিয়ে ও পর্যবেক্ষণ করে পটি আর্জেন্টিনার বক্সটি বেছে নেয়। পার্ক কর্তৃপক্ষ এটিকে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য জয়ের প্রতীক হিসেবে দেখছে।
অন্যদিকে থাইল্যান্ডের খন কায়েন চিড়িয়াখানার সিংহ ‘বয়’ ভিন্ন ইঙ্গিত দিয়েছে। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের পতাকার নিচে প্রিয় খাবার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। তিনবারের পরীক্ষায় দুইবার স্পেনের পতাকার নিচের খাবার বেছে নেয় সিংহটি। ফলে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের এই প্রতীকী পূর্বাভাস অনুযায়ী স্পেনই হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।
এর আগে সেমিফাইনাল ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও ‘বয়’-এর পূর্বাভাস মিলে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা। তবে পরিচালক থিপাওয়াদি কিত্তিখুন স্পষ্ট করে বলেছেন, এটি কোনো গুরুতর ভবিষ্যদ্বাণী নয়। মূল উদ্দেশ্য ছিল সিংহের স্বাভাবিক আচরণ উৎসাহিত করা, তার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা এবং দর্শকদের বিনোদন দেওয়া। তিনি জুয়া বা বাজির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই বলেও উল্লেখ করেন।
প্রাণীদের দিয়ে ম্যাচের ফল অনুমানের ধারা নতুন নয়। ২০১০ সালে জার্মানির অক্টোপাস ‘পল’ একের পর এক সঠিক পূর্বাভাস দিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার ঝড় তুলেছিল। এরপর হাতি, গরিলা, হাঙরসহ নানা প্রাণীকে এমন আয়োজনে দেখা গেছে। চলতি বিশ্বকাপেও ব্রাজিলের হাঙর ‘রিতিনিয়া’সহ আরও কয়েকটি প্রাণী এই তালিকায় যোগ হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন