সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন। হুঁশিয়ারি দিয়ে রিপাবলিকান নেতা বলেন, ইরান ‘কথা না শুনলে’ বা ‘আলোচনার টেবিলে না ফিরলে’ তাদের সেতু ও বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র ধ্বংস করবে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ট্রাম্পের হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে ইরান। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বিষয়টি জানা গেছে।
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জোলফাঘারি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের অবকাঠামোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র কোনো হামলা চালালে তার জবাবে ওই অঞ্চলের সব অবকাঠামো ‘গুঁড়িয়ে’ দেওয়া হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ট্রাম্প যদি তাঁর হুমকি বাস্তবায়ন করেন, তবে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর ইস্পাত-কঠিন আঘাতে এই অঞ্চলের সব অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। অবকাঠামোগুলো এমনভাবে ধ্বংস করা হবে, যাতে মনে হয় সেগুলোর কখনো অস্তিত্বই ছিল না।
খাতাম আল-আম্বিয়া বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর মতো কোনো পৃথক বাহিনী নয়। বরং এটি ইরানের যৌথ সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা ও সমন্বয়ের কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জোলফাঘারি আরও জানান, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না ইরান।
একটি বহিরাগত তথা এই অঞ্চলের বাইরের দেশ হিসেবে কোনো অবস্থাতেই এবং কোনোভাবেই আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজ প্রণালিতে হস্তক্ষেপ করতে দেব না। এটি ইরানের অলঙ্ঘনীয় লাল রেখা, যোগ করেন তিনি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ট্রাম্পের হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে ইরান। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বিষয়টি জানা গেছে।
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জোলফাঘারি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের অবকাঠামোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র কোনো হামলা চালালে তার জবাবে ওই অঞ্চলের সব অবকাঠামো ‘গুঁড়িয়ে’ দেওয়া হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ট্রাম্প যদি তাঁর হুমকি বাস্তবায়ন করেন, তবে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর ইস্পাত-কঠিন আঘাতে এই অঞ্চলের সব অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। অবকাঠামোগুলো এমনভাবে ধ্বংস করা হবে, যাতে মনে হয় সেগুলোর কখনো অস্তিত্বই ছিল না।
খাতাম আল-আম্বিয়া বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর মতো কোনো পৃথক বাহিনী নয়। বরং এটি ইরানের যৌথ সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা ও সমন্বয়ের কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জোলফাঘারি আরও জানান, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না ইরান।
একটি বহিরাগত তথা এই অঞ্চলের বাইরের দেশ হিসেবে কোনো অবস্থাতেই এবং কোনোভাবেই আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজ প্রণালিতে হস্তক্ষেপ করতে দেব না। এটি ইরানের অলঙ্ঘনীয় লাল রেখা, যোগ করেন তিনি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে