বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার অন্যতম পর্যটনস্পট দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্র আগামী ২০ জুলাই বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজমিন আলম তুলি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি টানা ভারি বর্ষণের ফলে নদী, ছড়া ও ঝিরির পানির বেড়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। সাম্প্রতিক বন্যায় রোয়াংছড়ি উপজেলার দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্রের বিভিন্ন কাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফলে পর্যটকদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর জরুরি মেরামত প্রয়োজন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেবতাখুমে পর্যটকদের যাতায়াত ও অবস্থান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
তাই পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৬ জুলাই থেকে ২০ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্রটি পর্যটকদের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হলো।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বান্দরবানের জনজীবন বিপযর্স্ত হয়ে পড়েছে, বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসসহ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলা সদরসহ সাতটি উপজেলা, আর তাই পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে উপজেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজমিন আলম তুলি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি টানা ভারি বর্ষণের ফলে নদী, ছড়া ও ঝিরির পানির বেড়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। সাম্প্রতিক বন্যায় রোয়াংছড়ি উপজেলার দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্রের বিভিন্ন কাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফলে পর্যটকদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর জরুরি মেরামত প্রয়োজন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেবতাখুমে পর্যটকদের যাতায়াত ও অবস্থান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
তাই পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৬ জুলাই থেকে ২০ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্রটি পর্যটকদের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হলো।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বান্দরবানের জনজীবন বিপযর্স্ত হয়ে পড়েছে, বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসসহ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলা সদরসহ সাতটি উপজেলা, আর তাই পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে উপজেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে