দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। রোমাঞ্চকর এ জয়ের পর সমর্থকদের উল্লাসের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে নেত্রকোণায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় এ ঘটনা হয় বলে জানান নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা শ্রদ্ধানন্দ নাথ।
নিহত দীপ্ত চৌধুরী (২৪) শহরের মালনীরোড এলাকার বাদল চৌধুরীর ছেলে। তিনি নেত্রকোণা সরকারি কলেজে সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাতে নিহতের বাবা বাদল চৌধুরী বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখতে রাতে বাসা থেকে বের হয়ে শহরের শহীদ মিনার এলাকায় গিয়েছিল দীপ্ত। খেলা শেষে আর্জেন্টিনার জয়ে খুশি সমর্থকেরা আনন্দ উল্লাস করছিল। তখন একটি দ্বিতল ভবনের ছাদ থেকে এ আনন্দ-উল্লাসের ভিডিও ধারণ করছিল দীপ্ত। এসময় অসতর্কতাবশত বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে গেলে সে ছিটকে ছাদ থেকে নীচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা শ্রদ্ধানন্দ নাথ বলেন, বিদ্যুতের স্পর্শে ও ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়ে দীপ্ত চৌধুরী মারা গেছেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় এ ঘটনা হয় বলে জানান নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা শ্রদ্ধানন্দ নাথ।
নিহত দীপ্ত চৌধুরী (২৪) শহরের মালনীরোড এলাকার বাদল চৌধুরীর ছেলে। তিনি নেত্রকোণা সরকারি কলেজে সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাতে নিহতের বাবা বাদল চৌধুরী বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখতে রাতে বাসা থেকে বের হয়ে শহরের শহীদ মিনার এলাকায় গিয়েছিল দীপ্ত। খেলা শেষে আর্জেন্টিনার জয়ে খুশি সমর্থকেরা আনন্দ উল্লাস করছিল। তখন একটি দ্বিতল ভবনের ছাদ থেকে এ আনন্দ-উল্লাসের ভিডিও ধারণ করছিল দীপ্ত। এসময় অসতর্কতাবশত বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে গেলে সে ছিটকে ছাদ থেকে নীচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা শ্রদ্ধানন্দ নাথ বলেন, বিদ্যুতের স্পর্শে ও ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়ে দীপ্ত চৌধুরী মারা গেছেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে