খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার হোগলাডাঙ্গা পাওয়ার গ্রিডে (পিজিসিবি) ট্রান্সফরমারে শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং জাতীয় বিদ্যুৎ অবকাঠামোর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটে পাওয়ার গ্রিডের একটি ট্রান্সফরমারে হঠাৎ শর্ট সার্কিট থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়।
জানা যায়, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য মিন্টু হোসেন ঘটনাটি দেখতে পেয়ে দ্রুত গার্ড কমান্ডার বাবুল আক্তারকে ঘটনাটা জানান। খবর পেয়ে তার নেতৃত্বে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা ফায়ার এক্সটিংগুইশার নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম শুরু করেন।
ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে তারা ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তাদের দ্রুত, সাহসী ও পেশাদার পদক্ষেপের ফলে আগুন ট্রান্সফরমারসংলগ্ন অন্যান্য স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। এছাড়া এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
সুত্রে জানা যায়, আগুনটি নিভানো না গেলে পিজিসিবির অনেক বড় ক্ষতির মুখে পড়তো। সেই সঙ্গে ঐ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতো।
ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনসার সদস্যদের তাৎক্ষণিক, দায়িত্বশীল ও সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করে তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে।
এদিকে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবদুর রশিদ খান আজ দুপুরে বাংলাস্কুপকে মুঠোফোনে জানান, উপস্থিত বুদ্ধিমত্তায় আনসার সদস্যরা যে ভুমিকা নিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসনী। তাদের কারণে অনেক বড় ক্ষয়ক্ষতি থেকে এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ জাতীয় ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পুরস্কৃত করার বিধান না থাকলেও আমরা বিষয়টি দেখবো।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাহিনীর সদস্যরা সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। হোগলাডাঙ্গা পাওয়ার গ্রিডের এই ঘটনা তাদের পেশাদারিত্ব, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা এবং দায়িত্বশীলতার আরেকটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটে পাওয়ার গ্রিডের একটি ট্রান্সফরমারে হঠাৎ শর্ট সার্কিট থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়।
জানা যায়, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য মিন্টু হোসেন ঘটনাটি দেখতে পেয়ে দ্রুত গার্ড কমান্ডার বাবুল আক্তারকে ঘটনাটা জানান। খবর পেয়ে তার নেতৃত্বে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা ফায়ার এক্সটিংগুইশার নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম শুরু করেন।
ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে তারা ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তাদের দ্রুত, সাহসী ও পেশাদার পদক্ষেপের ফলে আগুন ট্রান্সফরমারসংলগ্ন অন্যান্য স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। এছাড়া এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
সুত্রে জানা যায়, আগুনটি নিভানো না গেলে পিজিসিবির অনেক বড় ক্ষতির মুখে পড়তো। সেই সঙ্গে ঐ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতো।
ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনসার সদস্যদের তাৎক্ষণিক, দায়িত্বশীল ও সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করে তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে।
এদিকে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবদুর রশিদ খান আজ দুপুরে বাংলাস্কুপকে মুঠোফোনে জানান, উপস্থিত বুদ্ধিমত্তায় আনসার সদস্যরা যে ভুমিকা নিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসনী। তাদের কারণে অনেক বড় ক্ষয়ক্ষতি থেকে এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ জাতীয় ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পুরস্কৃত করার বিধান না থাকলেও আমরা বিষয়টি দেখবো।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাহিনীর সদস্যরা সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। হোগলাডাঙ্গা পাওয়ার গ্রিডের এই ঘটনা তাদের পেশাদারিত্ব, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা এবং দায়িত্বশীলতার আরেকটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন