২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে নরওয়ের বিদায় ঘটলেও, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন দলটির তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি মাঠের বাইরের সহজ-সরল ও রসাত্মক ব্যক্তিত্বের কারণে পুরো বিশ্বকাপজুড়ে ইন্টারনেটে ভাইরাল ছিলেন ২৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার।
এবার নরওয়েতে ফেরার পথে এক অদ্ভুত স্মারক সাথে নিয়ে নতুন করে ভক্তদের হাসিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার। বিমান থেকে নামার সময় দেখা যায়, তিনি অত্যন্ত গর্বের সাথে একটি ট্যাক্সিডার্মি (মৃত পশুর চামড়া দিয়ে তৈরি কৃত্রিম রূপ) করা র্যাকুন কোলে নিয়ে আছেন, যার হাতে আবার একটি মদের বোতলও রয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের ইনস্টাগ্রামে বিমানবন্দরের রানওয়েতে র্যাকুনটি হাতে নিয়ে হাঁটার ছবি পোস্ট করে হলান্ড লিখেছেন, ‘ও নিজেই আমার সঙ্গে বাড়ি পর্যন্ত চলে এসেছে।’ হলান্ডের এই কাণ্ড দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের মাঝে হাসির রোল পড়েছে। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘আমি নিশ্চিত, সে এটা টেক্সাস থেকেই কিনেছে।’
যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ চলাকালীন সেখানকার সংস্কৃতি ও খাবারদাবারের সাথে হলান্ডের মানিয়ে নেওয়ার বেশ কিছু ভিডিও দারুণ সাড়া ফেলেছে। একটি ভিডিওতে তাকে কাউবয় টুপি কিনে নিজেকে ‘আসল কাউবয়’ দাবি করতে দেখা যায়। আবার অন্য একটি ভিডিওতে এক নারী ভক্তের সামনে নিজেকে ফুটবল তারকা না বলে দলের সাধারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মী পরিচয় দিয়ে রসিকতা করেন তিনি।
বিশ্বকাপে হলান্ডের মাঠ থেকে হেঁটে বের হওয়ার একটি অদ্ভুত ভঙ্গি নিয়েও ইন্টারনেটে অসংখ্য মিম ও অনুকরণমূলক ভিডিও তৈরি হয়েছিল। এছাড়া নিউইয়র্ক শহরের একটি ডেলির বিশাল স্যান্ডউইচ খাওয়ার ভিডিও পোস্ট করেও প্রশংসিত হন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সফর শেষে বাসের ভেতর উল্টো টুপি ও রোদচশমা পরা একটি সেলফি পোস্ট করে নরওয়েজিয়ান এই তারকা লেখেন, ‘বিদায়, সময়টা ছিল আবেগে ভরা।’ বিদায় নিলেও হলান্ডের এই র্যাকুন কাহিনীর মাধ্যমে ভবিষ্যতের ফুটবলপ্রেমীরা হয়তো ২০২৬ বিশ্বকাপের এই ভিন্ন আমেজকে মনে রাখবেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
এবার নরওয়েতে ফেরার পথে এক অদ্ভুত স্মারক সাথে নিয়ে নতুন করে ভক্তদের হাসিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার। বিমান থেকে নামার সময় দেখা যায়, তিনি অত্যন্ত গর্বের সাথে একটি ট্যাক্সিডার্মি (মৃত পশুর চামড়া দিয়ে তৈরি কৃত্রিম রূপ) করা র্যাকুন কোলে নিয়ে আছেন, যার হাতে আবার একটি মদের বোতলও রয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের ইনস্টাগ্রামে বিমানবন্দরের রানওয়েতে র্যাকুনটি হাতে নিয়ে হাঁটার ছবি পোস্ট করে হলান্ড লিখেছেন, ‘ও নিজেই আমার সঙ্গে বাড়ি পর্যন্ত চলে এসেছে।’ হলান্ডের এই কাণ্ড দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের মাঝে হাসির রোল পড়েছে। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘আমি নিশ্চিত, সে এটা টেক্সাস থেকেই কিনেছে।’
যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ চলাকালীন সেখানকার সংস্কৃতি ও খাবারদাবারের সাথে হলান্ডের মানিয়ে নেওয়ার বেশ কিছু ভিডিও দারুণ সাড়া ফেলেছে। একটি ভিডিওতে তাকে কাউবয় টুপি কিনে নিজেকে ‘আসল কাউবয়’ দাবি করতে দেখা যায়। আবার অন্য একটি ভিডিওতে এক নারী ভক্তের সামনে নিজেকে ফুটবল তারকা না বলে দলের সাধারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মী পরিচয় দিয়ে রসিকতা করেন তিনি।
বিশ্বকাপে হলান্ডের মাঠ থেকে হেঁটে বের হওয়ার একটি অদ্ভুত ভঙ্গি নিয়েও ইন্টারনেটে অসংখ্য মিম ও অনুকরণমূলক ভিডিও তৈরি হয়েছিল। এছাড়া নিউইয়র্ক শহরের একটি ডেলির বিশাল স্যান্ডউইচ খাওয়ার ভিডিও পোস্ট করেও প্রশংসিত হন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সফর শেষে বাসের ভেতর উল্টো টুপি ও রোদচশমা পরা একটি সেলফি পোস্ট করে নরওয়েজিয়ান এই তারকা লেখেন, ‘বিদায়, সময়টা ছিল আবেগে ভরা।’ বিদায় নিলেও হলান্ডের এই র্যাকুন কাহিনীর মাধ্যমে ভবিষ্যতের ফুটবলপ্রেমীরা হয়তো ২০২৬ বিশ্বকাপের এই ভিন্ন আমেজকে মনে রাখবেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে