ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে বান্দরবান-চট্টগ্রাম কেরানীহাট সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ ছিল। তবে, পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ছয়দিন পর সোমবার (১৩ জুলাই) রাত থেকে পুনরায় এই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
এদিকে, বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়কের ব্রিজঘাটা এলাকায় সেতু ভেঙে যাওয়ায় সাতদিন ধরে দুই জেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
টানা বর্ষণের প্রভাবে জেলার লামা, আলীকদম, নাইক্ষংছড়ি, রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেক স্থানে গ্রামীণ সড়ক ও সংযোগ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, পানি কমতে শুরু করলেও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুরোপুরি ফিরে আসেনি। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে হবে। কম ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ সড়কগুলো এলাকাবাসী নিজেরা মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা কিছুটা স্বাভাবিক রেখেছে। যে সড়কগুলো পুরোপুরি ভেঙে গেছে তা দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের।
সরই এলাকার মো. সবুজ সরদার বলেন, সরই ইউনিয়নের কিল্লাছড়া-বটতলী পাড়া হয়ে আন্ধারী যাতায়াতের একমাত্র সড়কের ব্রিজ ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্রিজটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।
রোয়াংছড়ি উপজেলার নোয়াপতং ইউনিয়নের বাসিন্দা উ চ ইয় মার্মা জানান, সোনা সেপ্রু পাড়া, গুংক্ষ্যং উপর ও নিচের পাড়ায় যাওয়ার প্রধান সড়কের বেহাল অবস্থা। এ রাস্তা দিয়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও অন্যান্য পেশার লোকজন চলাচল করেন। রাস্তা ভালো না থাকায় সবাই ভোগান্তিতে পড়ছেন।
বান্দরবান জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান জানান, এবারেরর বন্যায় জেলায় প্রায় ২১ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুটি ব্রিজ ও ১৩টি ছোট ছোট কালভার্ট রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী এর পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা। বর্তমানে যেসব গ্রামীণ সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে, সেগুলো জরুরি প্রয়োজনে অন্তত সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ছোট যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে মেরামতের কাজ চলছে।
তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সম্পূর্ণভাবে সংস্কারের বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
এদিকে, বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়কের ব্রিজঘাটা এলাকায় সেতু ভেঙে যাওয়ায় সাতদিন ধরে দুই জেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
টানা বর্ষণের প্রভাবে জেলার লামা, আলীকদম, নাইক্ষংছড়ি, রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেক স্থানে গ্রামীণ সড়ক ও সংযোগ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, পানি কমতে শুরু করলেও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুরোপুরি ফিরে আসেনি। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে হবে। কম ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ সড়কগুলো এলাকাবাসী নিজেরা মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা কিছুটা স্বাভাবিক রেখেছে। যে সড়কগুলো পুরোপুরি ভেঙে গেছে তা দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের।
সরই এলাকার মো. সবুজ সরদার বলেন, সরই ইউনিয়নের কিল্লাছড়া-বটতলী পাড়া হয়ে আন্ধারী যাতায়াতের একমাত্র সড়কের ব্রিজ ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্রিজটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।
রোয়াংছড়ি উপজেলার নোয়াপতং ইউনিয়নের বাসিন্দা উ চ ইয় মার্মা জানান, সোনা সেপ্রু পাড়া, গুংক্ষ্যং উপর ও নিচের পাড়ায় যাওয়ার প্রধান সড়কের বেহাল অবস্থা। এ রাস্তা দিয়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও অন্যান্য পেশার লোকজন চলাচল করেন। রাস্তা ভালো না থাকায় সবাই ভোগান্তিতে পড়ছেন।
বান্দরবান জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান জানান, এবারেরর বন্যায় জেলায় প্রায় ২১ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুটি ব্রিজ ও ১৩টি ছোট ছোট কালভার্ট রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী এর পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা। বর্তমানে যেসব গ্রামীণ সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে, সেগুলো জরুরি প্রয়োজনে অন্তত সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ছোট যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে মেরামতের কাজ চলছে।
তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সম্পূর্ণভাবে সংস্কারের বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন