চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের আওতায় চলমান ১২৯১ কোটি টাকার দুটি মেগা প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন আহমদ। পরিদর্শনকালে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখেন তিনি। তবে মেগা এই দুই প্রকল্প কাজের ধীরগতি ও খালের মুখে সুইচ গেইট নির্মাণকাজ বেঁড়ি বাঁধ দিয়ে চলতি বর্ষায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করেছে। এ কারণে উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোহাম্মদ এয়াকুব সচিবের সামনেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অপরিকল্পিতভাবে দেয়া বাঁধটি কেটে দেওয়ার দাবি জন্য জনপ্রতিনিধি অনুরোধ করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও শ্রীমতি খালের ওপর ১৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন হাইড্রোলিক এলিভেটর ড্যাম, ব্লক স্থাপন, বনায়ন ও মনিটরিং সেন্টারসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ১৫ কিলোমিটার জুড়ে ৫টি বেড়িবাঁধ ও ২৫টি স্লুইস গেট (সুইচ গেট) নির্মাণের কাজ চলছে। মেগা এই দুই প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে ৫৫ শতাংশের অধিক সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে পটিয়ার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এবং কৃষি সেচে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে পানি সম্পদ সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন আহমদ কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাকি কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও কাজের অগ্রগতি কম হওয়ায় এবং কিছু ক্ষেত্রে সমন্বয়ের অভাব থাকার বিষয়টি জানানো হয়।
পরিদর্শনকালে পানি সম্পদ সচিবের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান, পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক, সহকারী কমিশনার (ভুমি) রয়া ত্রিপুরা, হাইদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন, পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী প্রশান্ত তালুকদার।
মেগা দুই প্রকল্প পরিদর্শন শেষে পানি সম্পদ সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, দুই প্রকল্পের মধ্যে ১৩৩ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। হাইড্রোলিক এলিভেটর ড্যামের যন্ত্রটি চায়না থেকে আসলে বসানো হবে। আরেকটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হবে। আশা করা যাচ্ছে আগামী জুনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। ১১৫৮ কোটি টাকা অন্য প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অবকাঠামো শেষ পর্যায়ে, কিন্তু বেড়িবাধঁ নির্মাণে জায়গা অধিগ্রহণ সম্পূর্ণ না হওয়ায় শেষ করা যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে ৫৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। জেলা প্রশাসনকে আমরা বলে দিয়েছি, যাতে দ্রুত জায়গা অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন করে। আর কয়েকটি সুইচগেট এর কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলোর কাজ সম্পন্ন হলে পানির সমস্যায় পড়তে হবে না।
তিনি আরো বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে আমাদের কোনো ইচ্ছা নেই। আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও শ্রীমতি খালের ওপর ১৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন হাইড্রোলিক এলিভেটর ড্যাম, ব্লক স্থাপন, বনায়ন ও মনিটরিং সেন্টারসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ১৫ কিলোমিটার জুড়ে ৫টি বেড়িবাঁধ ও ২৫টি স্লুইস গেট (সুইচ গেট) নির্মাণের কাজ চলছে। মেগা এই দুই প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে ৫৫ শতাংশের অধিক সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে পটিয়ার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এবং কৃষি সেচে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে পানি সম্পদ সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন আহমদ কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাকি কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও কাজের অগ্রগতি কম হওয়ায় এবং কিছু ক্ষেত্রে সমন্বয়ের অভাব থাকার বিষয়টি জানানো হয়।
পরিদর্শনকালে পানি সম্পদ সচিবের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান, পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক, সহকারী কমিশনার (ভুমি) রয়া ত্রিপুরা, হাইদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন, পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী প্রশান্ত তালুকদার।
মেগা দুই প্রকল্প পরিদর্শন শেষে পানি সম্পদ সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, দুই প্রকল্পের মধ্যে ১৩৩ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। হাইড্রোলিক এলিভেটর ড্যামের যন্ত্রটি চায়না থেকে আসলে বসানো হবে। আরেকটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হবে। আশা করা যাচ্ছে আগামী জুনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। ১১৫৮ কোটি টাকা অন্য প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অবকাঠামো শেষ পর্যায়ে, কিন্তু বেড়িবাধঁ নির্মাণে জায়গা অধিগ্রহণ সম্পূর্ণ না হওয়ায় শেষ করা যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে ৫৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। জেলা প্রশাসনকে আমরা বলে দিয়েছি, যাতে দ্রুত জায়গা অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন করে। আর কয়েকটি সুইচগেট এর কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলোর কাজ সম্পন্ন হলে পানির সমস্যায় পড়তে হবে না।
তিনি আরো বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে আমাদের কোনো ইচ্ছা নেই। আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে