উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানির প্রবল স্রোতে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার একটি গ্রামীণ পাকা সড়ক ভেঙে গেছে। এতে অন্তত ৮ গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) অতিরিক্ত পানির চাপে সড়কটি ভেঙে যায়। টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সুনামগঞ্জ-হবিগঞ্জ সীমান্তে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কুশিয়ারা নদীর অতিরিক্ত পানির চাপ ও স্রোতের কারণে একটি পাকা সড়ক ভেঙে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বালিশ্রী, রৌয়াইল, হিলালপুর, টেংরাখালি, মেঘেরকান্দি ও হরিনাকান্দিসহ আট গ্রামের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই সব গ্রামের প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশী মো. ইমদাদুল হক জানান, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জেলার সব কটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত শুক্রবার (১০ জুলাই) থেকে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাহাড়ি ঢল চাপে রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের সড়কটি ভেঙে যায়। এতে ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করা আট গ্রামের মানুষের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছি হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।
পানি নামার সাথে সাথে সড়কটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উপযোগী করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন জগন্নাথপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সোহরাব হোসেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
শনিবার (১১ জুলাই) অতিরিক্ত পানির চাপে সড়কটি ভেঙে যায়। টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সুনামগঞ্জ-হবিগঞ্জ সীমান্তে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কুশিয়ারা নদীর অতিরিক্ত পানির চাপ ও স্রোতের কারণে একটি পাকা সড়ক ভেঙে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বালিশ্রী, রৌয়াইল, হিলালপুর, টেংরাখালি, মেঘেরকান্দি ও হরিনাকান্দিসহ আট গ্রামের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই সব গ্রামের প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশী মো. ইমদাদুল হক জানান, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জেলার সব কটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত শুক্রবার (১০ জুলাই) থেকে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাহাড়ি ঢল চাপে রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের সড়কটি ভেঙে যায়। এতে ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করা আট গ্রামের মানুষের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছি হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।
পানি নামার সাথে সাথে সড়কটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উপযোগী করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন জগন্নাথপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সোহরাব হোসেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন