ফুটবল মহোৎসবের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মাতিয়েছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে ও সংগীত পরিচালক সঞ্জয় দেব। নতুন খবর হলো এবার ঢাকা মাতাতে আসছেন তিনি। ‘শাহ সিমেন্ট ফ্যান ফেস্ট ২.০’ শিরোনামে কনসার্টে পারফর্ম করবেন। আয়োজক সংস্থা ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশনস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্কে আগামী ১৪ জুলাই থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত চলবে গানের উৎসব।
আয়োজক সংস্থা জানিয়েছে, কনসার্টের প্রধান আকর্ষণ হলো আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান বাংলাদেশি শিল্পী সঞ্জয়ের বিশেষ লাইভ পারফরম্যান্স। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিসিয়াল থিম সং-এর আলোচিত এই শিল্পী আগামী ২০ জুলাই ঢাকার মঞ্চ মাতাবেন।
ছয় দিনব্যাপী উৎসবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি প্রদর্শন হবে। পাশাপাশি থাকবে লাইভ মিউজিক, ডিজে পারফরম্যান্স, দর্শকদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন গেমস আয়োজন।
১৯৯১ সালের ১৮ ডিসেম্বর শ্রীমঙ্গলে জন্মগ্রহণ করেন সঞ্জয় দেব। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা ক্যালিফোর্নিয়ার সান জোসে। সেখানকার এভারগ্রিন ভ্যালি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ডি আনজা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে সান জোসে স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যবসায় ডিগ্রি নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। সঞ্জয়ের বাবার নাম সন্তোষ দেব ও মা মিতা দেব।
সঞ্জয়ের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জ পৌর শহরের হাছননগরের হোসেন বখত চত্বরের বাসিন্দা, প্রয়াত বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. ধীরেন্দ্র দেব চৌধুরীর দৌহিত্র (মেয়ের ঘরের নাতি) হলেন এই সঞ্জয়। ডা. ধীরেন্দ্র দেবের দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে চতুর্থ সন্তান মিতা দেব হলেন সঞ্জয়ের মা। মিতা দেব নিজেও অত্যন্ত সুকণ্ঠী এবং এলাকায় বেশ ভালো গান গাইতেন। কেবল মা-ই নন, সঞ্জয়ের দিদাও (মিতা দেবের মা) নিয়মিত সংগীতচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
অন্যদিকে, সঞ্জয়ের মাসি (মিতা দেবের বড় বোন) মুক্তা দেবও নব্বইয়ের দশকে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ছাত্রী মিলনায়তন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পারিবারিক এই সাংস্কৃতিক আবহে বড় হওয়া সঞ্জয় দেবের পুরো পরিবার প্রায় ১৫ বছর আগে সুনামগঞ্জ ছেড়ে স্থায়ীভাবে আমেরিকায় চলে যান। বর্তমানে তাঁরা সেখানেই বসবাস করছেন।
পারিবারিক সুরের ধারা বুকে নিয়ে সুদূর আমেরিকায় নিজের সংগীত ক্যারিয়ার গড়েন সঞ্জয়। পরবর্তীতে তাঁর সঙ্গী এবং নির্বাহী প্রযোজক কুণাল আগরওয়ালের সাথে জুটি বেঁধে প্রফেশনাল মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন তিনি। বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলেস ভিত্তিক এই ইলেকট্রনিক মিউজিক প্রডিউসারের বেশ কিছু মিউজিক ট্র্যাক আন্তর্জাতিক সংগীত বাজারে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
উল্লেখ্য, সঞ্জয় বিদেশী নামী শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ, তাহসান খান ও জেফার রহমানের সঙ্গেও কাজ করেছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
জানা গেছে, রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্কে আগামী ১৪ জুলাই থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত চলবে গানের উৎসব।
আয়োজক সংস্থা জানিয়েছে, কনসার্টের প্রধান আকর্ষণ হলো আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান বাংলাদেশি শিল্পী সঞ্জয়ের বিশেষ লাইভ পারফরম্যান্স। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিসিয়াল থিম সং-এর আলোচিত এই শিল্পী আগামী ২০ জুলাই ঢাকার মঞ্চ মাতাবেন।
ছয় দিনব্যাপী উৎসবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি প্রদর্শন হবে। পাশাপাশি থাকবে লাইভ মিউজিক, ডিজে পারফরম্যান্স, দর্শকদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন গেমস আয়োজন।
১৯৯১ সালের ১৮ ডিসেম্বর শ্রীমঙ্গলে জন্মগ্রহণ করেন সঞ্জয় দেব। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা ক্যালিফোর্নিয়ার সান জোসে। সেখানকার এভারগ্রিন ভ্যালি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ডি আনজা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে সান জোসে স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যবসায় ডিগ্রি নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। সঞ্জয়ের বাবার নাম সন্তোষ দেব ও মা মিতা দেব।
সঞ্জয়ের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জ পৌর শহরের হাছননগরের হোসেন বখত চত্বরের বাসিন্দা, প্রয়াত বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. ধীরেন্দ্র দেব চৌধুরীর দৌহিত্র (মেয়ের ঘরের নাতি) হলেন এই সঞ্জয়। ডা. ধীরেন্দ্র দেবের দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে চতুর্থ সন্তান মিতা দেব হলেন সঞ্জয়ের মা। মিতা দেব নিজেও অত্যন্ত সুকণ্ঠী এবং এলাকায় বেশ ভালো গান গাইতেন। কেবল মা-ই নন, সঞ্জয়ের দিদাও (মিতা দেবের মা) নিয়মিত সংগীতচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
অন্যদিকে, সঞ্জয়ের মাসি (মিতা দেবের বড় বোন) মুক্তা দেবও নব্বইয়ের দশকে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ছাত্রী মিলনায়তন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পারিবারিক এই সাংস্কৃতিক আবহে বড় হওয়া সঞ্জয় দেবের পুরো পরিবার প্রায় ১৫ বছর আগে সুনামগঞ্জ ছেড়ে স্থায়ীভাবে আমেরিকায় চলে যান। বর্তমানে তাঁরা সেখানেই বসবাস করছেন।
পারিবারিক সুরের ধারা বুকে নিয়ে সুদূর আমেরিকায় নিজের সংগীত ক্যারিয়ার গড়েন সঞ্জয়। পরবর্তীতে তাঁর সঙ্গী এবং নির্বাহী প্রযোজক কুণাল আগরওয়ালের সাথে জুটি বেঁধে প্রফেশনাল মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন তিনি। বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলেস ভিত্তিক এই ইলেকট্রনিক মিউজিক প্রডিউসারের বেশ কিছু মিউজিক ট্র্যাক আন্তর্জাতিক সংগীত বাজারে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
উল্লেখ্য, সঞ্জয় বিদেশী নামী শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ, তাহসান খান ও জেফার রহমানের সঙ্গেও কাজ করেছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন