দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার আশুড়ার বিলে একটি বাঁশের সাঁকো পানির তোড়ে ভেসে যাওয়ায় ১৫ গ্রামের মানুষের চলাচলে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামগুলোর শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত ও মানুষের চলাচল স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে সাঁকোটি পুনঃনির্মাণের দাবি জানিয়েছে গ্রামবাসী।
দিঘলচাঁদ গ্রামের কমল চন্দ্র সরকার বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদনে জানান, ওই গ্রামের লালঘাট আশুড়ার বিলের ওপর স্থানীয়রা একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করে যাতায়াত করতেন। ওই সাঁকোর ওপর দিয়ে দু’পারের প্রায় ১৫টি গ্রামের সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক ও ধানজুড়ি মিশন স্কুলের শিক্ষার্থীরা হেঁটে এবং সাইকেল, মোটরসাইকেল ও ভ্যানগাড়ি নিয়ে যাতায়াত করছিলেন।
গত কয়েকদিনে ভারি বৃষ্টির পানির তোড়ে ২১০ ফুট লম্বা সাঁকোটি ভেসে যাওয়ায় তাদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। জরুরি ভিত্তিতে সাঁকোটি পুনঃনির্মাণের জন্য সহায়তা চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তারা আবেদন করেছেন।
এ-সংক্রান্ত একটি আবেদনপত্র পেয়েছেন জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তানজিনা খাতুন বলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
দিঘলচাঁদ গ্রামের কমল চন্দ্র সরকার বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদনে জানান, ওই গ্রামের লালঘাট আশুড়ার বিলের ওপর স্থানীয়রা একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করে যাতায়াত করতেন। ওই সাঁকোর ওপর দিয়ে দু’পারের প্রায় ১৫টি গ্রামের সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক ও ধানজুড়ি মিশন স্কুলের শিক্ষার্থীরা হেঁটে এবং সাইকেল, মোটরসাইকেল ও ভ্যানগাড়ি নিয়ে যাতায়াত করছিলেন।
গত কয়েকদিনে ভারি বৃষ্টির পানির তোড়ে ২১০ ফুট লম্বা সাঁকোটি ভেসে যাওয়ায় তাদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। জরুরি ভিত্তিতে সাঁকোটি পুনঃনির্মাণের জন্য সহায়তা চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তারা আবেদন করেছেন।
এ-সংক্রান্ত একটি আবেদনপত্র পেয়েছেন জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তানজিনা খাতুন বলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে