সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভায় নতুন স্থাপিত একটি পানির পাম্পের পাইপলাইনে গ্যাস-সদৃশ পদার্থের সন্ধান পাওয়া গেছে। শনিবার (১১ জুলাই) সকালে বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরিন জাহান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) থেকে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে বেলকুচি থানা সংলগ্ন ‘মাজেম মিয়ার গড়ান’ নামক স্থানে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। মূলত, থানা সংলগ্ন ওই পানির পাম্প থেকে সরবরাহকৃত পাইপলাইনে পানির সঙ্গে বুদবুদ উঠতে দেখে স্থানীয়রা কৌতূহলবশত সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং তা জ্বলতে থাকে। খবর পেয়ে পৌরসভার প্রকৌশলী ঘটনাস্থলে গিয়ে পানির পাইপে আগুন জ্বলতে দেখেন। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও গ্যাস কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এসে প্রাথমিক অবস্থায় গ্যাস-সদৃশ পদার্থের সন্ধান পায়।
ইউএনও আফরিন জাহান বলেন, উত্তরাঞ্চল গ্যাস কোম্পানির প্রতিনিধি দলকে আমন্ত্রণ জানানো হলে তারা বেলকুচি ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে গ্যাস-সদৃশ পদার্থের সন্ধান পেয়েছে। পরে বাপেক্সকে (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড) বিষয়টি অবগত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তাদের প্রতিনিধি দল এলে ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে পানির পাম্পটির কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে উত্তরাঞ্চল গ্যাস কোম্পানির ডিজিএম হিল্লোল বলেন, প্রাথমিকভাবে পানির লাইনে গ্যাসের অস্তিত্বের নমুনা পাওয়া গেছে। তবে এটি কী ধরনের গ্যাস এবং এর উৎস কোথায়, তা নিশ্চিত হতে আরও সুনির্দিষ্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।
তিনি আরও জানান, পুনরায় পরীক্ষা করে দেখা হবে পানিতে আগুন জ্বলে কি না। যদি তখনও আগুন জ্বলে, তবে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি বাপেক্সকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হবে।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে বেলকুচি থানা সংলগ্ন ‘মাজেম মিয়ার গড়ান’ নামক স্থানে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। মূলত, থানা সংলগ্ন ওই পানির পাম্প থেকে সরবরাহকৃত পাইপলাইনে পানির সঙ্গে বুদবুদ উঠতে দেখে স্থানীয়রা কৌতূহলবশত সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং তা জ্বলতে থাকে। খবর পেয়ে পৌরসভার প্রকৌশলী ঘটনাস্থলে গিয়ে পানির পাইপে আগুন জ্বলতে দেখেন। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও গ্যাস কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এসে প্রাথমিক অবস্থায় গ্যাস-সদৃশ পদার্থের সন্ধান পায়।
ইউএনও আফরিন জাহান বলেন, উত্তরাঞ্চল গ্যাস কোম্পানির প্রতিনিধি দলকে আমন্ত্রণ জানানো হলে তারা বেলকুচি ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে গ্যাস-সদৃশ পদার্থের সন্ধান পেয়েছে। পরে বাপেক্সকে (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড) বিষয়টি অবগত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তাদের প্রতিনিধি দল এলে ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে পানির পাম্পটির কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে উত্তরাঞ্চল গ্যাস কোম্পানির ডিজিএম হিল্লোল বলেন, প্রাথমিকভাবে পানির লাইনে গ্যাসের অস্তিত্বের নমুনা পাওয়া গেছে। তবে এটি কী ধরনের গ্যাস এবং এর উৎস কোথায়, তা নিশ্চিত হতে আরও সুনির্দিষ্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।
তিনি আরও জানান, পুনরায় পরীক্ষা করে দেখা হবে পানিতে আগুন জ্বলে কি না। যদি তখনও আগুন জ্বলে, তবে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি বাপেক্সকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হবে।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন