বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর ফলে দেশটির নাগরিকদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোরের দিকে ৪.১ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পটি ভারতীয় সময় রাত ১২টা ২০ মিনিটে মাটির ৯০ কিলোমিটার গভীরে হয়েছিল।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় মিয়ানমারে ৪.৫ মাত্রার আরেকটি কম্পন অনুভূত হয়েছিল, যা মাটির ১০০ কিলোমিটার গভীরে হয়েছিল।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে মিয়ানমার ভূমিকম্পের বড় ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। দেশটি চারটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের মাঝে অবস্থিত। এ ছাড়া দেশটিতে ১,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ট্রান্সফর্ম চ্যুতি বা ফল্ট রয়েছে, যা সাগাইং ফল্টের সাথে যুক্ত। এই ফল্টের কারণে সাগাইং, মান্দালয়, বাগো এবং ইয়াঙ্গুনের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে।
যদিও ইয়াঙ্গুন ফল্টের রেখা থেকে তুলনামূলকভাবে দূরে অবস্থিত। তবুও ঘনবসতির কারণে এটি বড় ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ১৯০৩ সালে ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প ইয়াঙ্গুনে আঘাত হেনেছিল।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় মিয়ানমারে ৪.৫ মাত্রার আরেকটি কম্পন অনুভূত হয়েছিল, যা মাটির ১০০ কিলোমিটার গভীরে হয়েছিল।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে মিয়ানমার ভূমিকম্পের বড় ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। দেশটি চারটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের মাঝে অবস্থিত। এ ছাড়া দেশটিতে ১,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ট্রান্সফর্ম চ্যুতি বা ফল্ট রয়েছে, যা সাগাইং ফল্টের সাথে যুক্ত। এই ফল্টের কারণে সাগাইং, মান্দালয়, বাগো এবং ইয়াঙ্গুনের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে।
যদিও ইয়াঙ্গুন ফল্টের রেখা থেকে তুলনামূলকভাবে দূরে অবস্থিত। তবুও ঘনবসতির কারণে এটি বড় ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ১৯০৩ সালে ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প ইয়াঙ্গুনে আঘাত হেনেছিল।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন