ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের ফলের গেজেট বৃহস্পতিবারই (৯ জুলাই) প্রকাশ করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। হাইকোর্টের রায়ের কপি পেয়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
গেজেট প্রকাশের পরই সরোয়ারের সংসদ সদস্যের শপথ আয়োজনে সংসদ সচিবালয়ে চিঠি পাঠানো হবে। ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে সরোয়ার নির্বাচিত হলেও প্রার্থিতা নিয়ে আইনি জটিলতা নিষ্পত্তি না হওয়ায় গেজেট করেনি কমিশন।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের দ্বৈত বেঞ্চ সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা ‘বৈধ’ বলে রায় দেন। এর ফলে তার ফলাফল প্রকাশ ও শপথ নেওয়ার বাধা কেটে যায়।
রায়ের পর জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আজই আমরা চট্টগ্রাম-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের গেজেট প্রকাশ করতে যাচ্ছি। আদালতের রায়ের কপি পেয়েছি। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী এ গেজেট প্রকাশ হবে।
এরপরই সংসদ সচিবালয়ে সংসদ সদস্যের শপথের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গেজেটের কপি পাঠাবে ইসি সচিবালয়।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। পরে তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন একই আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন।
গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন জামায়াত প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর করে সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করে দেয়।
প্রার্থিতা ফিরে পেতে পরদিন ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সারোয়ার আলমগীর।
এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২৭ জানুয়ারি হাই কোর্ট রুল জারি করেন এবং নির্বাচন কমিশনের বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ ও ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেন।
এই অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের বিরুদ্ধেই সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগে ‘লিভ টু আপিল’ করেন জামায়াতের প্রার্থী। আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে নির্দেশ দেন যে, সারোয়ার আলমগীর নির্বাচনে অংশ নিতে পারলেও আইনি ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত ফল প্রকাশ বা গেজেট স্থগিত থাকবে।
এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে সারোয়ার জয়লাভ করলেও নির্বাচন কমিশন পরদিন আইনি জটিলতা নিষ্পত্তি না হওয়ায় গেজেট প্রকাশ আটকে রাখে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
গেজেট প্রকাশের পরই সরোয়ারের সংসদ সদস্যের শপথ আয়োজনে সংসদ সচিবালয়ে চিঠি পাঠানো হবে। ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে সরোয়ার নির্বাচিত হলেও প্রার্থিতা নিয়ে আইনি জটিলতা নিষ্পত্তি না হওয়ায় গেজেট করেনি কমিশন।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের দ্বৈত বেঞ্চ সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা ‘বৈধ’ বলে রায় দেন। এর ফলে তার ফলাফল প্রকাশ ও শপথ নেওয়ার বাধা কেটে যায়।
রায়ের পর জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আজই আমরা চট্টগ্রাম-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের গেজেট প্রকাশ করতে যাচ্ছি। আদালতের রায়ের কপি পেয়েছি। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী এ গেজেট প্রকাশ হবে।
এরপরই সংসদ সচিবালয়ে সংসদ সদস্যের শপথের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গেজেটের কপি পাঠাবে ইসি সচিবালয়।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। পরে তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন একই আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন।
গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন জামায়াত প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর করে সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করে দেয়।
প্রার্থিতা ফিরে পেতে পরদিন ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সারোয়ার আলমগীর।
এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২৭ জানুয়ারি হাই কোর্ট রুল জারি করেন এবং নির্বাচন কমিশনের বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ ও ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেন।
এই অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের বিরুদ্ধেই সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগে ‘লিভ টু আপিল’ করেন জামায়াতের প্রার্থী। আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে নির্দেশ দেন যে, সারোয়ার আলমগীর নির্বাচনে অংশ নিতে পারলেও আইনি ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত ফল প্রকাশ বা গেজেট স্থগিত থাকবে।
এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে সারোয়ার জয়লাভ করলেও নির্বাচন কমিশন পরদিন আইনি জটিলতা নিষ্পত্তি না হওয়ায় গেজেট প্রকাশ আটকে রাখে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে