আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী আইরিন খানকে জাতিসংঘে (ইউএন) বাংলাদেশের পরবর্তী স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম স্বাক্ষরিত আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ওই পত্র অনুযায়ী, সরকার অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক মহাসচিব আইরিন খানকে সরকারের সিনিয়র সচিব পদমর্যাদা ও বেতন-ভাতায় দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনের আগেই তিনি নিউইয়র্কে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন। সরকারের চলমান কূটনৈতিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবেই এ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আইরিন খান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল’ অর্গানাইজেশনের (আইডিএলও) মহাপরিচালক ছিলেন।
২০২০ সাল থেকে তিনি জাতিসংঘের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আইরিন খানের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, মানবাধিকার ইস্যুতে দীর্ঘদিনের কাজ এবং জাতিসংঘ ব্যবস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কূটনৈতিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে চলতি বছর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব করতে যাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে এ নিয়োগকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমানে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। আইরিন খান দায়িত্ব গ্রহণ করলে তিনি এ পদে তার স্থলাভিষিক্ত হবেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
ওই পত্র অনুযায়ী, সরকার অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক মহাসচিব আইরিন খানকে সরকারের সিনিয়র সচিব পদমর্যাদা ও বেতন-ভাতায় দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনের আগেই তিনি নিউইয়র্কে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন। সরকারের চলমান কূটনৈতিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবেই এ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আইরিন খান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল’ অর্গানাইজেশনের (আইডিএলও) মহাপরিচালক ছিলেন।
২০২০ সাল থেকে তিনি জাতিসংঘের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আইরিন খানের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, মানবাধিকার ইস্যুতে দীর্ঘদিনের কাজ এবং জাতিসংঘ ব্যবস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কূটনৈতিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে চলতি বছর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব করতে যাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে এ নিয়োগকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমানে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। আইরিন খান দায়িত্ব গ্রহণ করলে তিনি এ পদে তার স্থলাভিষিক্ত হবেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে