দীর্ঘ ৭২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লিখিয়েছে সুইজারল্যান্ড। নির্ধারিত ১২০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নেয় ইউরোপের দেশটি। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এবার সুইসদের প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর্জেন্টিনা শক্তিশালী হলেও তারা অপরাজেয় নয়।
আগামী রোববার কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচটি সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে মুরাত ইয়াকিন বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে খেলাটা আমাদের জন্য একটি বিশেষ সুযোগ। তবে আমি বিশ্বাস করি, আর্জেন্টিনা অপরাজেয় নয়। আমরা তাদের হারানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব এবং দক্ষিণ আমেরিকান দলগুলোর খেলার ধরন ও মানসিকতা সম্পর্কে আমাদের পরিষ্কার ধারণা আছে।’
অন্যদিকে, দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার রিকার্ডো রদ্রিগেজ কিছুটা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। চারবারের বিশ্বকাপ খেলা এই অভিজ্ঞ তারকা বলেন, ‘আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত একটি দল। তাদের কোচিং প্যানেল ও খেলোয়াড়দের মান সম্পর্কে আমরা সচেতন। বিশেষ করে লিওনেল মেসির মতো বিশ্বের সেরা ফুটবলার তাদের দলে রয়েছে।’
কোয়ার্টার ফাইনালের আগে সুইজারল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইনজুরি। কলম্বিয়ার বিপক্ষে নকআউট ম্যাচে খেলতে পারেননি দলের হয়ে এই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৩ গোল করা ইয়োহান মানজাম্বি। হাঁটুতে চোট পাওয়া এই তারকাকে নিয়ে কোচ ইয়াকিন বলেন, ‘এ ধরনের চোট থেকে অল্প সময়ে সেরে উঠে না। ঠিক কী ধরনের চোট পেয়েছে, সেটাও আমরা এখনও নিশ্চিত নই। যদি সে খেলতে পারে, তাহলে অবশ্যই তাকে খেলাব। তবে কোনো ধরনের ঝুঁকিও নিতে চাই না।’
এছাড়া মিশেল এবিশার ও লুকা ইয়াকেজ চোটের কারণে এখনো মাঠের বাইরে রয়েছেন। নিয়মিত খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি এবং ইনজুরি সমস্যা নিয়ে আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে বেশ চাপে রয়েছে সুইসরা। ১৯৫৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ আটে ওঠা সুইজারল্যান্ড কি পারবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস লিখতে? ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন কানসাস সিটির দিকে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
আগামী রোববার কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচটি সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে মুরাত ইয়াকিন বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে খেলাটা আমাদের জন্য একটি বিশেষ সুযোগ। তবে আমি বিশ্বাস করি, আর্জেন্টিনা অপরাজেয় নয়। আমরা তাদের হারানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব এবং দক্ষিণ আমেরিকান দলগুলোর খেলার ধরন ও মানসিকতা সম্পর্কে আমাদের পরিষ্কার ধারণা আছে।’
অন্যদিকে, দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার রিকার্ডো রদ্রিগেজ কিছুটা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। চারবারের বিশ্বকাপ খেলা এই অভিজ্ঞ তারকা বলেন, ‘আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত একটি দল। তাদের কোচিং প্যানেল ও খেলোয়াড়দের মান সম্পর্কে আমরা সচেতন। বিশেষ করে লিওনেল মেসির মতো বিশ্বের সেরা ফুটবলার তাদের দলে রয়েছে।’
কোয়ার্টার ফাইনালের আগে সুইজারল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইনজুরি। কলম্বিয়ার বিপক্ষে নকআউট ম্যাচে খেলতে পারেননি দলের হয়ে এই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৩ গোল করা ইয়োহান মানজাম্বি। হাঁটুতে চোট পাওয়া এই তারকাকে নিয়ে কোচ ইয়াকিন বলেন, ‘এ ধরনের চোট থেকে অল্প সময়ে সেরে উঠে না। ঠিক কী ধরনের চোট পেয়েছে, সেটাও আমরা এখনও নিশ্চিত নই। যদি সে খেলতে পারে, তাহলে অবশ্যই তাকে খেলাব। তবে কোনো ধরনের ঝুঁকিও নিতে চাই না।’
এছাড়া মিশেল এবিশার ও লুকা ইয়াকেজ চোটের কারণে এখনো মাঠের বাইরে রয়েছেন। নিয়মিত খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি এবং ইনজুরি সমস্যা নিয়ে আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে বেশ চাপে রয়েছে সুইসরা। ১৯৫৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ আটে ওঠা সুইজারল্যান্ড কি পারবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস লিখতে? ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন কানসাস সিটির দিকে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন