রাঙামাটির পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে আটকা পড়েছেন অন্তত ৬০০ পর্যটক। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসন অনির্দিষ্টকালের জন্য সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক প্রবেশ ও অবস্থান বন্ধ ঘোষণা করার পর সেখানে অবস্থানরত পর্যটকেরা ফেরার অনিশ্চয়তায় পড়েন। ফেরার পথে অন্তত দুটি স্থানে সড়কের ওপর পানি ওঠায় তাদের ফিরে আসা সম্ভব হয়নি।
তবে আটকে পড়া পর্যটকদের থাকার জন্য কোনো ভাড়া নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে সাজেক রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পর্যটকরা নিজ নিজ রিসোর্টে বিনা ভাড়ায় অবস্থান করতে পারবেন। শুধু পানির খরচ বহন করতে হবে।
সাজেক রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মন নিশ্চিত করলেন, ‘৬ ও ৭ জুলাই যেসব পর্যটকের বুকিং ছিল, তাদের মঙ্গলবার ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মাচালং বাজার ও বাঘাইহাট বাজার এলাকায় দুটি স্থানে সড়কের ওপর পানি ওঠায় তারা সকালের স্কটে ফিরতে পারেননি। বৃষ্টি কমে পানি নেমে গেলে তারা বিকেলের স্কটে ফিরতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বললেন, ‘যদি সড়ক থেকে পানি না নামে, তাহলে পর্যটকেরা নিজ নিজ রিসোর্টে অবস্থান করতে পারবেন। এ জন্য তাদের কোনো কক্ষভাড়া দিতে হবে না। তবে সাজেক পাহাড়ের ওপর অবস্থিত হওয়ায় সেখানে পানি সরবরাহ ব্যয়বহুল। তাই শুধু পানির খরচ বহন করতে হবে।’
সুপর্ণ দেব বর্মনের ভাষ্য, বর্তমানে আনুমানিক ৬০০ পর্যটক সাজেকে আটকে আছেন। বৃষ্টি কমলে তাদের ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান জানালেন, আটকে পড়া পর্যটকদের বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সড়কের পানি কমে গেলে পর্যটকেরা যাতে নিরাপদে ফিরতে পারেন, সে বিষয়ে প্রশাসন নজর রাখছে।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন
তবে আটকে পড়া পর্যটকদের থাকার জন্য কোনো ভাড়া নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে সাজেক রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পর্যটকরা নিজ নিজ রিসোর্টে বিনা ভাড়ায় অবস্থান করতে পারবেন। শুধু পানির খরচ বহন করতে হবে।
সাজেক রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মন নিশ্চিত করলেন, ‘৬ ও ৭ জুলাই যেসব পর্যটকের বুকিং ছিল, তাদের মঙ্গলবার ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মাচালং বাজার ও বাঘাইহাট বাজার এলাকায় দুটি স্থানে সড়কের ওপর পানি ওঠায় তারা সকালের স্কটে ফিরতে পারেননি। বৃষ্টি কমে পানি নেমে গেলে তারা বিকেলের স্কটে ফিরতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বললেন, ‘যদি সড়ক থেকে পানি না নামে, তাহলে পর্যটকেরা নিজ নিজ রিসোর্টে অবস্থান করতে পারবেন। এ জন্য তাদের কোনো কক্ষভাড়া দিতে হবে না। তবে সাজেক পাহাড়ের ওপর অবস্থিত হওয়ায় সেখানে পানি সরবরাহ ব্যয়বহুল। তাই শুধু পানির খরচ বহন করতে হবে।’
সুপর্ণ দেব বর্মনের ভাষ্য, বর্তমানে আনুমানিক ৬০০ পর্যটক সাজেকে আটকে আছেন। বৃষ্টি কমলে তাদের ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান জানালেন, আটকে পড়া পর্যটকদের বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সড়কের পানি কমে গেলে পর্যটকেরা যাতে নিরাপদে ফিরতে পারেন, সে বিষয়ে প্রশাসন নজর রাখছে।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন