আবারও গিনেস বুকে স্থান করে নিয়েছেন বরিশালের মেয়ে নুসরাত জাহান নিপা। প্রথমবার কয়েন দিয়ে দ্রুততম সময়ে টাওয়ার বানিয়ে নাম লিখিয়েছিলেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুকে। পরের বার চপস্টিক দিয়ে ভাত খাওয়ার রেকর্ডও যায় তার দখলে।
এবার কাগজ দিয়ে দ্রুততম সময়ে স্নো-ফ্লেক বা তুষারকণা বানিয়ে ফের গিনেসে উঠল তার নাম। এই তৃতীয়বার তিনি গিনেস বুকে নাম লেখালেন।
বরিশাল নগরীর কলেজ রোডের বাসিন্দা নুসরাত জাহান নিপা। সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ থেকে রসায়নে স্নাতকোত্তর করেন তিনি। এখন শিক্ষকতা করছেন বেসরকারি একটি কলেজে।
বাংলাদেশে তিনিই প্রথম নারী, যার নাম তিনবার উঠেছে গিনেস বিশ্বরেকর্ডের খাতায়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সবশেষ রেকর্ডটি করেন তিনি। কাগজের স্নো-ফ্লেক তৈরিতে রেকর্ড আগে ২৩ দশমিক ১৬ সেকেন্ডে চীনের দখলে ছিল। নিপা সেটি ২১ দশমিক ৮৪ সেকেন্ডে শেষ করে রেকর্ডটি বাংলাদেশে এনেছে।
‘চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই রেকর্ড করা হলেও কিছুদিন আগে সার্টিফিকেট পেয়েছি’- উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেন এই তরুণী। কাগজ বিভিন্নভাবে কেটে ভাঁজ করে তুষারকণার মতো তৈরি করে এই রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
নিপা বলেন, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সবকিছু অর্জন করা সম্ভব। আমার খেলাধুলার শখ থাকলেও বরিশালে মেয়েদের জন্য তেমন ব্যবস্থা নেই। ঘরে বসেই দেশ ও আমার শহর বরিশালকে বিশ্বের বুকে তুলে ধরতে এ রেকর্ড করেছি। ভবিষ্যতেও আমার এই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান নুসরাত জাহান নিপা।
এর আগে ২০২১ সালে করোনার সময় এক হাতে এক মিনিটে ৭১টি কয়েন দিয়ে টাওয়ার তৈরি করেছিলেন নিপা। ইতালির সিলভিও সাব্বার গড়া রেকর্ড ভেঙে তিনি প্রথমবার নাম লেখান গিনেসে। পরে ২০২৪ সালে চপস্টিক দিয়ে এক মিনিটে ২৭টি ভাতের দানা মুখে তুলে গড়েছিলেন দ্বিতীয় রেকর্ড।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
এবার কাগজ দিয়ে দ্রুততম সময়ে স্নো-ফ্লেক বা তুষারকণা বানিয়ে ফের গিনেসে উঠল তার নাম। এই তৃতীয়বার তিনি গিনেস বুকে নাম লেখালেন।
বরিশাল নগরীর কলেজ রোডের বাসিন্দা নুসরাত জাহান নিপা। সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ থেকে রসায়নে স্নাতকোত্তর করেন তিনি। এখন শিক্ষকতা করছেন বেসরকারি একটি কলেজে।
বাংলাদেশে তিনিই প্রথম নারী, যার নাম তিনবার উঠেছে গিনেস বিশ্বরেকর্ডের খাতায়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সবশেষ রেকর্ডটি করেন তিনি। কাগজের স্নো-ফ্লেক তৈরিতে রেকর্ড আগে ২৩ দশমিক ১৬ সেকেন্ডে চীনের দখলে ছিল। নিপা সেটি ২১ দশমিক ৮৪ সেকেন্ডে শেষ করে রেকর্ডটি বাংলাদেশে এনেছে।
‘চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই রেকর্ড করা হলেও কিছুদিন আগে সার্টিফিকেট পেয়েছি’- উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেন এই তরুণী। কাগজ বিভিন্নভাবে কেটে ভাঁজ করে তুষারকণার মতো তৈরি করে এই রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
নিপা বলেন, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সবকিছু অর্জন করা সম্ভব। আমার খেলাধুলার শখ থাকলেও বরিশালে মেয়েদের জন্য তেমন ব্যবস্থা নেই। ঘরে বসেই দেশ ও আমার শহর বরিশালকে বিশ্বের বুকে তুলে ধরতে এ রেকর্ড করেছি। ভবিষ্যতেও আমার এই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান নুসরাত জাহান নিপা।
এর আগে ২০২১ সালে করোনার সময় এক হাতে এক মিনিটে ৭১টি কয়েন দিয়ে টাওয়ার তৈরি করেছিলেন নিপা। ইতালির সিলভিও সাব্বার গড়া রেকর্ড ভেঙে তিনি প্রথমবার নাম লেখান গিনেসে। পরে ২০২৪ সালে চপস্টিক দিয়ে এক মিনিটে ২৭টি ভাতের দানা মুখে তুলে গড়েছিলেন দ্বিতীয় রেকর্ড।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে