রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ। তাকে তিন দিনের রিমান্ড দেয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (০১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ২৭ জুন রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন একটি মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
সেই রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মহাখালী বাস টার্মিনাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. সোহেল সরকার। সে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জানা যায়, গত ১৮ জুন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণিতে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী অবৈধ মিছিল বের করেন। এসময় তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান।
পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন পোস্টার, ব্যানার, একটি প্রেস কার্ড, ককটেল তৈরির সরঞ্জাম এবং ভিলেওন ব্র্যান্ডের একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততা যাচাইসহ নাশকতার অর্থদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত এবং ককটেল তৈরির উৎস উদঘাটনের জন্য আসামি নূর মোহাম্মদের রিমান্ড চেয়েছিল পুলিশ।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বুধবার (০১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ২৭ জুন রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন একটি মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
সেই রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মহাখালী বাস টার্মিনাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. সোহেল সরকার। সে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জানা যায়, গত ১৮ জুন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণিতে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী অবৈধ মিছিল বের করেন। এসময় তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান।
পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন পোস্টার, ব্যানার, একটি প্রেস কার্ড, ককটেল তৈরির সরঞ্জাম এবং ভিলেওন ব্র্যান্ডের একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততা যাচাইসহ নাশকতার অর্থদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত এবং ককটেল তৈরির উৎস উদঘাটনের জন্য আসামি নূর মোহাম্মদের রিমান্ড চেয়েছিল পুলিশ।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে