ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) জিটুজি প্রকল্পের শত শত কোটি টাকা আত্মসাতকারী কর্মকর্তারা কি পার পেয়ে যাবেন? মালামাল ক্রয়ে দুর্নীতি তদন্ত শেষে বিদ্যুৎ বিভাগের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার পরও ডিপিডিসি কর্তৃপক্ষ দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় এমন প্রশ্ন উঠছে। তবে সূত্র বলছে, বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কঠোর বক্তব্য ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি বদলে গেছে। আর আভাস পেয়ে পুনরায় দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তারা।
প্রকল্পে ব্যবহারের জন্য ১৪০ সেট ১৩২ কেভি ক্যাবল এক্সেসরিজ (ক্রস বন্ডিং জয়েন্ট) জার্মানির কথা বলে চীন থেকে আমদানি করা হয়েছিল ওই কর্মকর্তাদের যোগসাজশে। এ ঘটনায় গত ৪ মের মধ্যে ঠিকাদারের সাথে চুক্তিপত্র ও ক্রয় সংক্রান্তসহ মোট ৭ ধরনের নথিপত্র জমা দিতে বলেছিল দুদক। জানা যায়, ডিপিডিসি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে নামমাত্র কাজ করে প্রকল্পের অর্থ পাচারের বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে দুদক। কিন্তু গত ৩ মার্চ দুদক চেয়ারম্যান এবং দুই কমিশনার একযোগে পদত্যাগ করেন। স্বাভাবিকভাবেই জিটুজি প্রকল্পের দুর্নীতি তদন্তে ঢিমেতাল দেখা যায়।
গত ১২ জুন ওসমানী মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎমন্ত্রী আওয়ামী শাসনামলে নেয়া ডিপিডিসির বিভিন্ন প্রকল্প ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অনিয়ম নিয়ে কথা বলেন। ওই আমলের লুটপাট-দুর্নীতির দায় বর্তমান বিএনপি সরকারকে বহন করতে হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। মন্ত্রীর ওই বক্তব্যের পর টনক নড়ে সংশ্লিষ্টদের।
এমন পরিস্থিতিতে গত ২২ জুন দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। দুদক পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরুর খবর রীতিমত আতঙ্কিত করে তুলেছে দুর্নীতিবাজদের। সূত্র জানায়, কমিশন পুনর্গঠনের পর দ্রুতই জিটুজি প্রকল্পের দুর্নীতি নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে দুদক।
এদিকে, ডিপিডিসির নির্বাহী পরিচালক (প্রকৌশল) মোরশেদ আলম খানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, দুর্নীতিসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে দুদক। ডিপিডিসি সূত্র বলছে, বিদ্যুৎ বিভাগ এই নির্বাহী পরিচালকের চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি না করায় জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহেই তিনি অবসরে যাচ্ছেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
জিটুজির দুর্নীতি তদন্তে হার্ডলাইনে দুদক!
জিটুজি প্রকল্পের দুর্নীতি অনুসন্ধানে ফের তৎপর দুদক
কেনাকাটায় অনিয়ম করে ১০০ কোটি টাকা ভাগ-বাটোয়ারা
দুদকের জালে ফেঁসে যাচ্ছে ডিপিডিসি
প্রকল্পে ব্যবহারের জন্য ১৪০ সেট ১৩২ কেভি ক্যাবল এক্সেসরিজ (ক্রস বন্ডিং জয়েন্ট) জার্মানির কথা বলে চীন থেকে আমদানি করা হয়েছিল ওই কর্মকর্তাদের যোগসাজশে। এ ঘটনায় গত ৪ মের মধ্যে ঠিকাদারের সাথে চুক্তিপত্র ও ক্রয় সংক্রান্তসহ মোট ৭ ধরনের নথিপত্র জমা দিতে বলেছিল দুদক। জানা যায়, ডিপিডিসি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে নামমাত্র কাজ করে প্রকল্পের অর্থ পাচারের বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে দুদক। কিন্তু গত ৩ মার্চ দুদক চেয়ারম্যান এবং দুই কমিশনার একযোগে পদত্যাগ করেন। স্বাভাবিকভাবেই জিটুজি প্রকল্পের দুর্নীতি তদন্তে ঢিমেতাল দেখা যায়।
গত ১২ জুন ওসমানী মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎমন্ত্রী আওয়ামী শাসনামলে নেয়া ডিপিডিসির বিভিন্ন প্রকল্প ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অনিয়ম নিয়ে কথা বলেন। ওই আমলের লুটপাট-দুর্নীতির দায় বর্তমান বিএনপি সরকারকে বহন করতে হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। মন্ত্রীর ওই বক্তব্যের পর টনক নড়ে সংশ্লিষ্টদের।
এমন পরিস্থিতিতে গত ২২ জুন দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। দুদক পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরুর খবর রীতিমত আতঙ্কিত করে তুলেছে দুর্নীতিবাজদের। সূত্র জানায়, কমিশন পুনর্গঠনের পর দ্রুতই জিটুজি প্রকল্পের দুর্নীতি নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে দুদক।
এদিকে, ডিপিডিসির নির্বাহী পরিচালক (প্রকৌশল) মোরশেদ আলম খানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, দুর্নীতিসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে দুদক। ডিপিডিসি সূত্র বলছে, বিদ্যুৎ বিভাগ এই নির্বাহী পরিচালকের চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি না করায় জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহেই তিনি অবসরে যাচ্ছেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
জিটুজির দুর্নীতি তদন্তে হার্ডলাইনে দুদক!
জিটুজি প্রকল্পের দুর্নীতি অনুসন্ধানে ফের তৎপর দুদক
কেনাকাটায় অনিয়ম করে ১০০ কোটি টাকা ভাগ-বাটোয়ারা
দুদকের জালে ফেঁসে যাচ্ছে ডিপিডিসি