পানির সংকটকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক আবারও উত্তেজনার মুখে পড়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই সংকটকে কেন্দ্র করে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
সোমবার (২২ জুন) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, খাজা আসিফ পাকিস্তানের টিভি চ্যানেল অ্যারে নিউজকে বলেন, যখনই মনে করব আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার অংশ পানিও হুমকির মুখে, তখন ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। ভারত উদ্বেগজনক গতিতে পানির প্রবাহ ব্যাহত করছে, তাই সামরিক পদক্ষেপ বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।
খাজা আসিফ অভিযোগ করেন যে, ভারত পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে এবং চেনাব নদীর প্রবাহ নিয়ে তথ্য গোপন করছে। তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন যে সাম্প্রতিক সময়ের উন্নয়ন সম্পর্কে তার কাছে হালনাগাদ তথ্য নেই, যদিও পূর্বে পাকিস্তানি দলগুলো প্রায় ১১৫টি পরিদর্শন করেছে।
মূলত, দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে উত্তেজনা চলছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারত চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। একে পহেলগামে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলার পর নেওয়া একটি কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
সিন্ধু অববাহিকার প্রায় ৮০ শতাংশ পানি কৃষি কাজে ব্যবহার করার সুযোগ পেলেও পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে দেশটি বর্তমানে গুরুতর সংকটে পড়েছে। তবে ভারত পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত এই চুক্তি স্থগিত থাকবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সোমবার (২২ জুন) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, খাজা আসিফ পাকিস্তানের টিভি চ্যানেল অ্যারে নিউজকে বলেন, যখনই মনে করব আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার অংশ পানিও হুমকির মুখে, তখন ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। ভারত উদ্বেগজনক গতিতে পানির প্রবাহ ব্যাহত করছে, তাই সামরিক পদক্ষেপ বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।
খাজা আসিফ অভিযোগ করেন যে, ভারত পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে এবং চেনাব নদীর প্রবাহ নিয়ে তথ্য গোপন করছে। তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন যে সাম্প্রতিক সময়ের উন্নয়ন সম্পর্কে তার কাছে হালনাগাদ তথ্য নেই, যদিও পূর্বে পাকিস্তানি দলগুলো প্রায় ১১৫টি পরিদর্শন করেছে।
মূলত, দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে উত্তেজনা চলছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারত চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। একে পহেলগামে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলার পর নেওয়া একটি কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
সিন্ধু অববাহিকার প্রায় ৮০ শতাংশ পানি কৃষি কাজে ব্যবহার করার সুযোগ পেলেও পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে দেশটি বর্তমানে গুরুতর সংকটে পড়েছে। তবে ভারত পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত এই চুক্তি স্থগিত থাকবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে