গ্যালারি জুড়ে তখন একটাই সুর, একটাই প্রার্থনা। হলুদ-সবুজ জার্সির জাদুকর কি ফিরবেন? নাকি ব্রাজিলের কোটি ভক্তের স্বপ্নটা আবার মাঝপথেই থমকে যাবে? অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে কোটি ভক্তের হৃদয়ে স্বস্তির হাওয়া বইয়ে দিলেন ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি নিশ্চিত করেছেন, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ ‘সি’-এর সেই মহাগুরুত্বপূর্ণ বাঁচা-মরার লড়াইয়ে সেলেসাওদের হয়ে মাঠে নামছেন নেইমার জুনিয়র। ২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠার এই চূড়ান্ত যুদ্ধে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য এর চেয়ে বড় কোনো সুখবর আর হতেই পারত না।
গত ১৭ মে সান্তোসের হয়ে খেলার সময় ডান পায়ের কাফে চোট পান নেইমার। সেই অভিশপ্ত ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে মাঠে নামা হয়নি ৩৪ বছর বয়সী এই মহাতারকার। মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের ১-১ গোলে ড্র করার হতাশাজনক রাত কিংবা ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের দুর্দান্ত জয়, সবখানেই সমর্থকেরা জাদুকরী ১০ নম্বর জার্সির অভাব হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন।
হাইতি ম্যাচের সময় ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন জানায়, দ্বিতীয় মাত্রার কাফ ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার কঠিন পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চালাতে নিউ জার্সিতেই একা একা লড়ে যাচ্ছেন এই তারকা। হাইতিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে এসে কোচ আনচেলত্তি যখন নেইমারের ফেরার ঘোষণা দিলেন, তখন নাটকীয়ভাবে বদলে গেল পুরো আবহ। আনচেলত্তি বলেন "নেইমার আগামীকাল একা অনুশীলন করবে, আর সোমবার দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেবে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য সে পুরোপুরি প্রস্তুত।"
এই একটি বাক্য যেন মুহূর্তের মধ্যে ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে নতুন এক রোমাঞ্চের জন্ম দিল। একা একা লড়ে যাওয়া সেই চোটগ্রস্ত নায়ক এখন প্রস্তুত নিজের শেষ বিশ্বকাপে দেশের মান বাঁচাতে।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি শুধু নকআউট পর্বে যাওয়ার লড়াই নয়, এটি ব্রাজিলের ফুটবলীয় আবেগের এক চূড়ান্ত পরীক্ষা। নেইমার শুধু একজন অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড নন, তিনি ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ১২৯ ম্যাচে ৭৯টি গোল করা এই কিংবদন্তির জন্য সম্ভবত এটাই শেষ বিশ্বকাপ। আর তাই বিদায়ের আগে নিজের দেশের গায়ে ষষ্ঠ নক্ষত্রটি জুড়ে দিতে নিজের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়তে চলেছেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/ ডেস্ক/ এনআইএন
গত ১৭ মে সান্তোসের হয়ে খেলার সময় ডান পায়ের কাফে চোট পান নেইমার। সেই অভিশপ্ত ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে মাঠে নামা হয়নি ৩৪ বছর বয়সী এই মহাতারকার। মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের ১-১ গোলে ড্র করার হতাশাজনক রাত কিংবা ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের দুর্দান্ত জয়, সবখানেই সমর্থকেরা জাদুকরী ১০ নম্বর জার্সির অভাব হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন।
হাইতি ম্যাচের সময় ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন জানায়, দ্বিতীয় মাত্রার কাফ ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার কঠিন পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চালাতে নিউ জার্সিতেই একা একা লড়ে যাচ্ছেন এই তারকা। হাইতিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে এসে কোচ আনচেলত্তি যখন নেইমারের ফেরার ঘোষণা দিলেন, তখন নাটকীয়ভাবে বদলে গেল পুরো আবহ। আনচেলত্তি বলেন "নেইমার আগামীকাল একা অনুশীলন করবে, আর সোমবার দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেবে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য সে পুরোপুরি প্রস্তুত।"
এই একটি বাক্য যেন মুহূর্তের মধ্যে ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে নতুন এক রোমাঞ্চের জন্ম দিল। একা একা লড়ে যাওয়া সেই চোটগ্রস্ত নায়ক এখন প্রস্তুত নিজের শেষ বিশ্বকাপে দেশের মান বাঁচাতে।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি শুধু নকআউট পর্বে যাওয়ার লড়াই নয়, এটি ব্রাজিলের ফুটবলীয় আবেগের এক চূড়ান্ত পরীক্ষা। নেইমার শুধু একজন অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড নন, তিনি ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ১২৯ ম্যাচে ৭৯টি গোল করা এই কিংবদন্তির জন্য সম্ভবত এটাই শেষ বিশ্বকাপ। আর তাই বিদায়ের আগে নিজের দেশের গায়ে ষষ্ঠ নক্ষত্রটি জুড়ে দিতে নিজের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়তে চলেছেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/ ডেস্ক/ এনআইএন