​কাঁঠালের সিঙ্গারা-কাবাবে বাজিমাত, সম্ভাবনার কথা জানালেন কৃষিমন্ত্রী

আপলোড সময় : ১৮-০৬-২০২৬ ০২:২৮:৩৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৮-০৬-২০২৬ ০৩:৩৫:১০ অপরাহ্ন
কাঁঠাল দিয়ে সিঙ্গারা, সমুচা, কাবাবসহ নানা ধরনের খাদ্যপণ্য তৈরি করা হচ্ছে এবং এসব পণ্যের পুষ্টিগুণও অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। 

তিনি বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে কাঁঠালভিত্তিক খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বিপণন নিয়ে আলোচনা করছে। স্থানীয় পর্যায়েও এসব পণ্যের উন্নয়ন ও বাণিজ্যিকীকরণে কাজ চলছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) প্রাঙ্গণে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ উদ্বোধনের পর বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে ফল উৎপাদনে এক ধরনের বিপ্লব ঘটেছে। একসময় যেসব ফল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো, এখন সেগুলোর অনেকগুলোই দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। ফলে আমদানিনির্ভরতা কমছে এবং ভবিষ্যতে অনেক ফল আমদানির প্রয়োজনও থাকবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী বলেন, জাতীয় ফল মেলায় দেশীয় বিভিন্ন ফলের পাশাপাশি এমন অনেক অপ্রচলিত ফলও প্রদর্শিত হচ্ছে, যা সাধারণত বাজারে খুব বেশি দেখা যায় না। বিদেশি ফলের দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ফলের বহুমুখী ব্যবহার ও মূল্য সংযোজনের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে যুক্ত হচ্ছেন। এরই মধ্যে আম, আনারস ও কাঁঠাল রপ্তানি শুরু হয়েছে। চলতি বছর কাঁঠাল রপ্তানি আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। কাঁঠাল রপ্তানি সম্প্রসারণে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, আগামী দিনে ফল বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী রপ্তানি পণ্যে পরিণত হবে বলে আমরা আশা করছি।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :