ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সম্প্রতি ৬২টি কোম্পানির বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি করেছে, যার মধ্যে ৩২টি কোম্পানি বন্ধ এবং ৩০টি কোম্পানি আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার জন্য এই তালিকা ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
ডিএসই-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আর্থিকভাবে দুর্বল এবং দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া এড়াতে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বন্ধ এবং দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ঘটনায় ডিএসই দুই কোম্পানির লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত করেছে। কোম্পানি দুটি হলো শ্যামপুর সুগার এবং সোনারগাঁও টেক্সটাইলস।
বন্ধ কোম্পানির তালিকায় রয়েছে অ্যাপোলো ইস্পাত, আরামিট সিমেন্ট, আজিজ পাইপস, বারাকা পাওয়ার, বিডি ওয়েল্ডিং, দুলামিয়া কটন, এমারেল্ড অয়েল, ফ্যামিলিটেক্স, জিবিবি পাওয়ার, হামিদ ফেব্রিকস, খুলনা পাওয়ার, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, মেট্রো স্পিনিং, নর্দার্ন জুট এবং আরও অনেক।
এদিকে, সতর্কসংকেত জারির পরও, বুধবার (১৭ জুন) এসব বন্ধ কোম্পানির মধ্যে ২২টির শেয়ারদর বেড়েছে। সুত্র জানাচ্ছে, গত ৪ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান হিসেবে মাসুদ খান নিয়োগ পাওয়ার পর কমিশন বাজারের কারসাজিকারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
এছাড়া, ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির মধ্যে ১০টি কোম্পানি বন্ধ কোম্পানির তালিকায় রয়েছে। এর মধ্যে অলটেক্স, বিডি সার্ভিসেস, ঢাকা ডায়িং, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস এবং প্রাইম ফাইন্যান্স উল্লেখযোগ্য।
বিএসইসি নির্দেশনা অনুযায়ী, দুর্বল মানের কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
ডিএসই-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আর্থিকভাবে দুর্বল এবং দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া এড়াতে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বন্ধ এবং দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ঘটনায় ডিএসই দুই কোম্পানির লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত করেছে। কোম্পানি দুটি হলো শ্যামপুর সুগার এবং সোনারগাঁও টেক্সটাইলস।
বন্ধ কোম্পানির তালিকায় রয়েছে অ্যাপোলো ইস্পাত, আরামিট সিমেন্ট, আজিজ পাইপস, বারাকা পাওয়ার, বিডি ওয়েল্ডিং, দুলামিয়া কটন, এমারেল্ড অয়েল, ফ্যামিলিটেক্স, জিবিবি পাওয়ার, হামিদ ফেব্রিকস, খুলনা পাওয়ার, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, মেট্রো স্পিনিং, নর্দার্ন জুট এবং আরও অনেক।
এদিকে, সতর্কসংকেত জারির পরও, বুধবার (১৭ জুন) এসব বন্ধ কোম্পানির মধ্যে ২২টির শেয়ারদর বেড়েছে। সুত্র জানাচ্ছে, গত ৪ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান হিসেবে মাসুদ খান নিয়োগ পাওয়ার পর কমিশন বাজারের কারসাজিকারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
এছাড়া, ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির মধ্যে ১০টি কোম্পানি বন্ধ কোম্পানির তালিকায় রয়েছে। এর মধ্যে অলটেক্স, বিডি সার্ভিসেস, ঢাকা ডায়িং, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস এবং প্রাইম ফাইন্যান্স উল্লেখযোগ্য।
বিএসইসি নির্দেশনা অনুযায়ী, দুর্বল মানের কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে