দেশের উত্তর-পূর্বের ৭ জেলার হাওর অঞ্চলের প্রায় দুই মিলিয়ন হেক্টর জমির ধান আগাম বন্যা থেকে রক্ষায় বরিশালে নতুন জাতের ধান বীজ উৎপাদন শুরু করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। রোববার (১৪ জুন) সকালে নগরীর ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. রফিকুল ইসলাম।
এ সময় গবেষকরা জানান, হাওর অঞ্চলে ২৫ ধরনের বোরো ধানের আবাদ হয়। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আগাম বন্যায় ফসল ঘরে তুলতে পারেন না কৃষকরা। স্বল্পমেয়াদি ও ঠান্ডা সহিষ্ণু ব্রি ধান-১১৮ শুধু একটি নতুন ধানের জাতই নয় বরং হাওর অঞ্চলের কৃষকদের জন্য একটি আশার প্রতীক।
তারা আরও জানান, এই জাতের ধানের মাধ্যমে কৃষকরা আগাম বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলা করে অধিক ফলন ঘরে তুলতে পারবেন। এর ফলে অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময় ধানের চারা রোপন ও বন্যা শুরুর আগেই এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহেই ফসল ঘরে তুলতে পারবে। কিন্তু হাওরের অধিকাংশ জমি পানির নিচে থাকায় এ ধানের বীজ উৎপাদন সম্ভব নয়। তাই বরিশাল ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের তিন হেক্টর জমিতে বীজ উৎপাদনের জন্য চারা রোপন করা হয়েছে।
বরিশালসহ বিভিন্ন জেলায় ৩০ টন বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী অক্টোবরের আগে এ বীজ হাওর অঞ্চলের কৃষকদের হাতে তুলে দেয়া হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহম্মদ আশিক ইকবাল, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হাসিনা খাতুনসহ অন্যান্যরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
এ সময় গবেষকরা জানান, হাওর অঞ্চলে ২৫ ধরনের বোরো ধানের আবাদ হয়। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আগাম বন্যায় ফসল ঘরে তুলতে পারেন না কৃষকরা। স্বল্পমেয়াদি ও ঠান্ডা সহিষ্ণু ব্রি ধান-১১৮ শুধু একটি নতুন ধানের জাতই নয় বরং হাওর অঞ্চলের কৃষকদের জন্য একটি আশার প্রতীক।
তারা আরও জানান, এই জাতের ধানের মাধ্যমে কৃষকরা আগাম বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলা করে অধিক ফলন ঘরে তুলতে পারবেন। এর ফলে অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময় ধানের চারা রোপন ও বন্যা শুরুর আগেই এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহেই ফসল ঘরে তুলতে পারবে। কিন্তু হাওরের অধিকাংশ জমি পানির নিচে থাকায় এ ধানের বীজ উৎপাদন সম্ভব নয়। তাই বরিশাল ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের তিন হেক্টর জমিতে বীজ উৎপাদনের জন্য চারা রোপন করা হয়েছে।
বরিশালসহ বিভিন্ন জেলায় ৩০ টন বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী অক্টোবরের আগে এ বীজ হাওর অঞ্চলের কৃষকদের হাতে তুলে দেয়া হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহম্মদ আশিক ইকবাল, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হাসিনা খাতুনসহ অন্যান্যরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন