লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের পর রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে চলে গেছেন ১৭৩ জন রোগী। একই সঙ্গে হাসপাতালটিতে নতুন করে কোনো রোগী ভর্তি হয়নি বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাসপাতালের রোগীদের অন্যত্র স্থানান্তরের জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়।
এরপর থেকেই চিকিৎসাধীন রোগীরা ধীরে ধীরে অন্য হাসপাতালের দিকে যেতে শুরু করেন।
জানা গেছে, বর্তমানে সেখানে এখনো প্রায় ২৪৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তবে আইসিইউ, এনআইসিইউ, এইচডিইউ ও সিসিইউতে থাকা সংকটাপন্ন রোগীদের স্থানান্তর নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন রোগীদের স্বজনরা। তাদের মতে, এসব রোগীকে অন্য হাসপাতালে নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, জনস্বার্থ ও রোগীদের সেবার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে হাসপাতালটির স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সরকারের কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হবে এবং ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশা করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাসপাতালের রোগীদের অন্যত্র স্থানান্তরের জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়।
এরপর থেকেই চিকিৎসাধীন রোগীরা ধীরে ধীরে অন্য হাসপাতালের দিকে যেতে শুরু করেন।
জানা গেছে, বর্তমানে সেখানে এখনো প্রায় ২৪৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তবে আইসিইউ, এনআইসিইউ, এইচডিইউ ও সিসিইউতে থাকা সংকটাপন্ন রোগীদের স্থানান্তর নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন রোগীদের স্বজনরা। তাদের মতে, এসব রোগীকে অন্য হাসপাতালে নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, জনস্বার্থ ও রোগীদের সেবার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে হাসপাতালটির স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সরকারের কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হবে এবং ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশা করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে