জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) নিজস্ব রিগ দিয়ে ৬৯টি কূপ খনন এবং ৩১টি কূপের ওয়ার্কওভার সম্পন্নের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি সমুদ্রে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে বিদেশি কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করতে নতুন করে ‘বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড’ ঘোষণা করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব পরিকল্পনার কথা জানান। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাজেট বক্তৃতায় তিনি জ্বালানি খাতের এ রূপরেখা তুলে ধরেন।
বাপেক্সের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বাপেক্সের মাধ্যমে ২০২৫-২৬ থেকে ২০২৭-২৮ পর্যন্ত সময়ে ২৭০ কিলোমিটার ভূতাত্ত্বিক জরিপ, ৭০০ লাইন কিলোমিটার টু-ডি (২-ডি) সাইসমিক জরিপ এবং ৭০০ বর্গকিলোমিটার থ্রি-ডি (৩-ডি) সাইসমিক জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’
সমুদ্রে তেল-গ্যাস উত্তোলনের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সমুদ্রাঞ্চলে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য নতুন করে বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। অফশোর গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন আকর্ষণীয় করাসহ আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের স্বার্থ সমুন্নত রেখে মডেল প্রোডাকশন শেয়ারিং কনট্রাক্ট (পিএসসি) সংশোধন করা হয়েছে।’
অর্থমন্ত্রী জানান, অগভীর সমুদ্রে ৯টি ও গভীর সমুদ্রে ১৫টি ব্লক আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলোর জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এসব ব্লকে উৎপাদন-বণ্টন চুক্তির মাধ্যমে অনুসন্ধান কাজ পরিচালিত হবে।
জ্বালানি অনুসন্ধান সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাপেক্সের জন্য দুটি নতুন অনুসন্ধান রিগ ক্রয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকার ক্রিটিক্যাল মিনারেল এক্সপ্লোরেশন উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথাগত জ্বালানি পণ্যের বাইরে অফশোর গ্যাস ও আনকনভেনশনাল হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধানেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব পরিকল্পনার কথা জানান। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাজেট বক্তৃতায় তিনি জ্বালানি খাতের এ রূপরেখা তুলে ধরেন।
বাপেক্সের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বাপেক্সের মাধ্যমে ২০২৫-২৬ থেকে ২০২৭-২৮ পর্যন্ত সময়ে ২৭০ কিলোমিটার ভূতাত্ত্বিক জরিপ, ৭০০ লাইন কিলোমিটার টু-ডি (২-ডি) সাইসমিক জরিপ এবং ৭০০ বর্গকিলোমিটার থ্রি-ডি (৩-ডি) সাইসমিক জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’
সমুদ্রে তেল-গ্যাস উত্তোলনের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সমুদ্রাঞ্চলে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য নতুন করে বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। অফশোর গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন আকর্ষণীয় করাসহ আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের স্বার্থ সমুন্নত রেখে মডেল প্রোডাকশন শেয়ারিং কনট্রাক্ট (পিএসসি) সংশোধন করা হয়েছে।’
অর্থমন্ত্রী জানান, অগভীর সমুদ্রে ৯টি ও গভীর সমুদ্রে ১৫টি ব্লক আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলোর জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এসব ব্লকে উৎপাদন-বণ্টন চুক্তির মাধ্যমে অনুসন্ধান কাজ পরিচালিত হবে।
জ্বালানি অনুসন্ধান সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাপেক্সের জন্য দুটি নতুন অনুসন্ধান রিগ ক্রয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকার ক্রিটিক্যাল মিনারেল এক্সপ্লোরেশন উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথাগত জ্বালানি পণ্যের বাইরে অফশোর গ্যাস ও আনকনভেনশনাল হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধানেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন