যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা হুমকির মুখে সরকার সামরিক খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিতে অনিচ্ছুক এবং এ নিয়ে দীর্ঘদিনের মতবিরোধের জেরেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে হিলি অভিযোগ করেন, সরকারের প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ পরিকল্পনা বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট নয়।
তিনি লিখেছেন, ‘এই বিপজ্জনক সময়ে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে পরিমাণ সম্পদ প্রয়োজন, সরকারের পরিকল্পনা তার অনেক নিচে অবস্থান করছে।’
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও ট্রেজারির মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে মতবিরোধের কারণে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনা প্রকাশেও বিলম্ব হয়েছে বলে জানা গেছে।
পদত্যাগপত্রে হিলি আরও বলেন, ‘ক্রমবর্ধমান হুমকির এই সময়ে দেশকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ প্রদানে সরকার অক্ষম এবং ট্রেজারি অনিচ্ছুক। তাই প্রতিরক্ষা সচিব হিসেবে পদত্যাগ করা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় নেই।’
২০২৪ সালের জুলাইয়ে লেবার পার্টি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিলি যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। রাজনৈতিক মহলে তাকে একজন দক্ষ ও দায়িত্বশীল মন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ২০২৭ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে ৩ শতাংশে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
তবে সামরিক বাহিনীর অনেক কর্মকর্তা ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় এই বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, হিলির পদত্যাগ স্টারমার সরকারের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হতে পারে। এমনিতেই প্রধানমন্ত্রী নিজ দলের কিছু সদস্যের সমালোচনা ও চাপের মুখে রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ সরকারকে নতুন সংকটে ফেলতে পারে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে হিলি অভিযোগ করেন, সরকারের প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ পরিকল্পনা বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট নয়।
তিনি লিখেছেন, ‘এই বিপজ্জনক সময়ে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে পরিমাণ সম্পদ প্রয়োজন, সরকারের পরিকল্পনা তার অনেক নিচে অবস্থান করছে।’
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও ট্রেজারির মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে মতবিরোধের কারণে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনা প্রকাশেও বিলম্ব হয়েছে বলে জানা গেছে।
পদত্যাগপত্রে হিলি আরও বলেন, ‘ক্রমবর্ধমান হুমকির এই সময়ে দেশকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ প্রদানে সরকার অক্ষম এবং ট্রেজারি অনিচ্ছুক। তাই প্রতিরক্ষা সচিব হিসেবে পদত্যাগ করা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় নেই।’
২০২৪ সালের জুলাইয়ে লেবার পার্টি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিলি যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। রাজনৈতিক মহলে তাকে একজন দক্ষ ও দায়িত্বশীল মন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ২০২৭ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে ৩ শতাংশে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
তবে সামরিক বাহিনীর অনেক কর্মকর্তা ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় এই বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, হিলির পদত্যাগ স্টারমার সরকারের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হতে পারে। এমনিতেই প্রধানমন্ত্রী নিজ দলের কিছু সদস্যের সমালোচনা ও চাপের মুখে রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ সরকারকে নতুন সংকটে ফেলতে পারে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে