পরিবেশবান্ধব, সাশ্রয়ী ও টেকসই জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সৌরবিদ্যুৎ খাতে একাধিক কর ও শুল্ক সুবিধার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর শূন্য শতাংশ কর হার বহাল রাখার পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ বিল পরিশোধকারী গ্রাহকদের জন্য ৫ শতাংশ কর রেয়াত সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপদ উৎস হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ খাতের সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক এবং আগাম কর শূন্য শতাংশ নির্ধারণ করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
দেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী শিল্পের বিকাশ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ লক্ষ্যে প্রস্তাবিত প্রজ্ঞাপন ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।
তবে দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করতে এবং স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাউন্টিং স্ট্রাকচার, লিথিয়াম সেল, ব্যাটারি প্যাক ও ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস)সহ সংশ্লিষ্ট কিছু পণ্যের আমদানি-ভিত্তিক রেয়াতি সুবিধা ২০২৮ সালের ৩০ জুনের পর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপদ উৎস হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ খাতের সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক এবং আগাম কর শূন্য শতাংশ নির্ধারণ করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
দেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী শিল্পের বিকাশ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ লক্ষ্যে প্রস্তাবিত প্রজ্ঞাপন ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।
তবে দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করতে এবং স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাউন্টিং স্ট্রাকচার, লিথিয়াম সেল, ব্যাটারি প্যাক ও ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস)সহ সংশ্লিষ্ট কিছু পণ্যের আমদানি-ভিত্তিক রেয়াতি সুবিধা ২০২৮ সালের ৩০ জুনের পর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন