২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মাল্টি-নেশন শো, যেখানে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র,কানাডা ও মেক্সিকো এই তিন দেশে একসঙ্গে আলাদা আলাদা স্টেজে অনুষ্ঠান শুরু হবে। ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিনটি দেশে তিনটি ভিন্ন সাংস্কৃতিক থিমে উদ্বোধনী শো সাজানো হয়েছে, তবে বার্তা একটাই ফুটবলই বিশ্বকে এক করে।
উদ্বোধনী দিনের শুরু হবে মেক্সিকো সিটি থেকে, যেখানে ঐতিহ্যবাহী লাতিন সংস্কৃতি, রঙিন নাচ,মারিয়াচি মিউজিক এবং ঐতিহাসিক শিল্পকর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হবে। এরপর কানাডার টরন্টোতে দ্বিতীয় স্টেজে দেখা যাবে বহুসংস্কৃতির এক অনন্য সমন্বয়,যেখানে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সংগীত ও পারফরম্যান্স ফুটবল উৎসবকে নতুন মাত্রা দেবে। সেখানে প্রবাসী ও আন্তর্জাতিক শিল্পীদের পারফরম্যান্সও থাকবে, যা কানাডার বৈচিত্র্যময় সমাজকে তুলে ধরবে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে সোফি স্টেডিয়ামে হবে সবচেয়ে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্বোধনী আয়োজন, যেখানে লাইট শো, হোলোগ্রাফিক ভিজ্যুয়াল এবং ডিজিটাল পারফরম্যান্স দিয়ে ফুটবলকে ভবিষ্যতের রূপে উপস্থাপন করা হবে।
এই তিনটি স্টেজে বিশ্বের বড় বড় তারকারা পারফর্ম করবেন বলে জানা গেছে। মেক্সিকোর মঞ্চে থাকবেন শাকিরা এবং বার্না বয়, যারা লাতিন ও আফ্রিকান রিদমে দর্শকদের মাতাবেন। কানাডার স্টেজে পারফর্ম করবেন অ্যালানিস মরিসেট এবং মাইকেল বুবলে, যারা সুর ও আবেগের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবেন। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে থাকবেন কেটি পেরি, লিসা এবং রেমা, যারা আধুনিক পপ ও গ্লোবাল মিউজিকের মিশেলে স্টেডিয়াম কাঁপাবেন।
এই পুরো আয়োজনকে একসাথে যুক্ত করা হবে স্যাটেলাইট ব্রডকাস্ট ও লাইভ ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে, যাতে বিশ্বের কোটি কোটি দর্শক একসাথে তিনটি দেশের অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারেন। প্রতিটি দেশের অনুষ্ঠানই শুরু হবে ম্যাচ শুরুর প্রায় ৯০ মিনিট আগে, যাতে দর্শকরা খেলার আগে একটি পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা পান।
ফিফা জানিয়েছে, এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুধু একটি খেলার শুরু নয়, বরং এটি “Football unites the world” বার্তার বাস্তব রূপ। ভিন্ন ভিন্ন দেশ, ভিন্ন সংস্কৃতি এবং ভিন্ন ভাষা হলেও ফুটবলই এখানে একমাত্র সংযোগের সেতু হিসেবে কাজ করবে। ২০২৬ বিশ্বকাপের এই উদ্বোধনী আয়োজন তাই শুধু একটি শো নয়, বরং বিশ্ব সংস্কৃতি, সংগীত ও ফুটবলের এক ঐতিহাসিক মিলনমেলা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
উদ্বোধনী দিনের শুরু হবে মেক্সিকো সিটি থেকে, যেখানে ঐতিহ্যবাহী লাতিন সংস্কৃতি, রঙিন নাচ,মারিয়াচি মিউজিক এবং ঐতিহাসিক শিল্পকর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হবে। এরপর কানাডার টরন্টোতে দ্বিতীয় স্টেজে দেখা যাবে বহুসংস্কৃতির এক অনন্য সমন্বয়,যেখানে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সংগীত ও পারফরম্যান্স ফুটবল উৎসবকে নতুন মাত্রা দেবে। সেখানে প্রবাসী ও আন্তর্জাতিক শিল্পীদের পারফরম্যান্সও থাকবে, যা কানাডার বৈচিত্র্যময় সমাজকে তুলে ধরবে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে সোফি স্টেডিয়ামে হবে সবচেয়ে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্বোধনী আয়োজন, যেখানে লাইট শো, হোলোগ্রাফিক ভিজ্যুয়াল এবং ডিজিটাল পারফরম্যান্স দিয়ে ফুটবলকে ভবিষ্যতের রূপে উপস্থাপন করা হবে।
এই তিনটি স্টেজে বিশ্বের বড় বড় তারকারা পারফর্ম করবেন বলে জানা গেছে। মেক্সিকোর মঞ্চে থাকবেন শাকিরা এবং বার্না বয়, যারা লাতিন ও আফ্রিকান রিদমে দর্শকদের মাতাবেন। কানাডার স্টেজে পারফর্ম করবেন অ্যালানিস মরিসেট এবং মাইকেল বুবলে, যারা সুর ও আবেগের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবেন। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে থাকবেন কেটি পেরি, লিসা এবং রেমা, যারা আধুনিক পপ ও গ্লোবাল মিউজিকের মিশেলে স্টেডিয়াম কাঁপাবেন।
এই পুরো আয়োজনকে একসাথে যুক্ত করা হবে স্যাটেলাইট ব্রডকাস্ট ও লাইভ ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে, যাতে বিশ্বের কোটি কোটি দর্শক একসাথে তিনটি দেশের অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারেন। প্রতিটি দেশের অনুষ্ঠানই শুরু হবে ম্যাচ শুরুর প্রায় ৯০ মিনিট আগে, যাতে দর্শকরা খেলার আগে একটি পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা পান।
ফিফা জানিয়েছে, এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুধু একটি খেলার শুরু নয়, বরং এটি “Football unites the world” বার্তার বাস্তব রূপ। ভিন্ন ভিন্ন দেশ, ভিন্ন সংস্কৃতি এবং ভিন্ন ভাষা হলেও ফুটবলই এখানে একমাত্র সংযোগের সেতু হিসেবে কাজ করবে। ২০২৬ বিশ্বকাপের এই উদ্বোধনী আয়োজন তাই শুধু একটি শো নয়, বরং বিশ্ব সংস্কৃতি, সংগীত ও ফুটবলের এক ঐতিহাসিক মিলনমেলা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন