যুক্তরাষ্ট্র নতুন সামরিক হামলা শুরুর পরপরই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ অপারেশনাল কমান্ড ইউনিট।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতর জানায়, ‘এই মুহূর্ত থেকে অঞ্চলের নিরাপত্তাহীনতার কারণে হরমুজ প্রণালী সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো। এর মধ্যে তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও বাণিজ্যিক জাহাজও অন্তর্ভুক্ত। এই পথে চলা যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’
এতে আরও বলা হয়, ‘অপরাধী যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত আগ্রাসন এবং দেশটির আক্রমণাত্মক সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় হামলা শুরু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে।’
হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল করছে– যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবিও উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান।
কঠোর সতর্কবার্তায় খাতাম আল-আনবিয়া জানায়, ‘অঞ্চলে আগ্রাসী ও সন্ত্রাসী মার্কিন সামরিক বাহিনীর যেকোনো আগ্রাসন ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের জবাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শক্তিশালী ও সিদ্ধান্তমূলক প্রতিক্রিয়া জানাবে।’
‘অনুপ্রবেশকারী’ জাহাজে আইআরজিসির হামলা
এদিকে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের চেষ্টা করা দুটি জাহাজে তারা হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসি নৌবাহিনীও জানিয়েছে, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত’ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা সতর্ক করছি যে পারস্য উপসাগর বা ওমান সাগরে নোঙর করা কোনো জাহাজ যেন তাদের অবস্থান ত্যাগ না করে। হরমুজ প্রণালীর দিকে যেকোনো অগ্রসর হওয়াকে শত্রুর সঙ্গে সহযোগিতা হিসেবে গণ্য করা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যত বন্ধ হরমুজ প্রণালী। ওই দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সবশেষ দফায় ব্যাপক ও উসকানিবিহীন হামলা শুরু করে। পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করা হয়, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ৭ এপ্রিল নিজেই ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও ইরানি জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর ‘নৌ অবরোধ’ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
খাতাম আল-আনবিয়া সদর দফতরের ঘোষণার আগে হরমোজগান প্রদেশসহ ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় নতুন বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। একই সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে তারা ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা চালিয়েছে।
খাতাম আল-আনবিয়া সদর দফতর এবং আইআরজিসি উভয়ই এর আগে সতর্ক করে দিয়েছিল যে শত্রুপক্ষের যেকোনো নতুন ভুল পদক্ষেপের জবাব কঠোরভাবে দেয়া হবে, যেমনটি আগের সব লঙ্ঘনের ক্ষেত্রেই করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতর জানায়, ‘এই মুহূর্ত থেকে অঞ্চলের নিরাপত্তাহীনতার কারণে হরমুজ প্রণালী সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো। এর মধ্যে তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও বাণিজ্যিক জাহাজও অন্তর্ভুক্ত। এই পথে চলা যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’
এতে আরও বলা হয়, ‘অপরাধী যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত আগ্রাসন এবং দেশটির আক্রমণাত্মক সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় হামলা শুরু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে।’
হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল করছে– যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবিও উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান।
কঠোর সতর্কবার্তায় খাতাম আল-আনবিয়া জানায়, ‘অঞ্চলে আগ্রাসী ও সন্ত্রাসী মার্কিন সামরিক বাহিনীর যেকোনো আগ্রাসন ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের জবাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শক্তিশালী ও সিদ্ধান্তমূলক প্রতিক্রিয়া জানাবে।’
‘অনুপ্রবেশকারী’ জাহাজে আইআরজিসির হামলা
এদিকে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের চেষ্টা করা দুটি জাহাজে তারা হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসি নৌবাহিনীও জানিয়েছে, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত’ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা সতর্ক করছি যে পারস্য উপসাগর বা ওমান সাগরে নোঙর করা কোনো জাহাজ যেন তাদের অবস্থান ত্যাগ না করে। হরমুজ প্রণালীর দিকে যেকোনো অগ্রসর হওয়াকে শত্রুর সঙ্গে সহযোগিতা হিসেবে গণ্য করা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যত বন্ধ হরমুজ প্রণালী। ওই দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সবশেষ দফায় ব্যাপক ও উসকানিবিহীন হামলা শুরু করে। পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করা হয়, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ৭ এপ্রিল নিজেই ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও ইরানি জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর ‘নৌ অবরোধ’ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
খাতাম আল-আনবিয়া সদর দফতরের ঘোষণার আগে হরমোজগান প্রদেশসহ ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় নতুন বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। একই সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে তারা ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা চালিয়েছে।
খাতাম আল-আনবিয়া সদর দফতর এবং আইআরজিসি উভয়ই এর আগে সতর্ক করে দিয়েছিল যে শত্রুপক্ষের যেকোনো নতুন ভুল পদক্ষেপের জবাব কঠোরভাবে দেয়া হবে, যেমনটি আগের সব লঙ্ঘনের ক্ষেত্রেই করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন