দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে তিন মাসে (জুন-আগস্ট) ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে রয়েছে গ্যাস অয়েল, জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েল ও গ্যাসোলিন।
বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এসব তেল আমদানি করবে।
অনুমোদিত চারটি প্যাকেজের মধ্যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে গ্যাস অয়েল ও জেট এ-১ আমদানিতে ব্যয় হবে ৭ হাজার ৬৭২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। একই ধরনের তেল আমদানিতে ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৭১১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
ফার্নেস অয়েল আমদানিতে ট্রাফিগুরা প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে ব্যয় হবে ১ হাজার ৯০০ কোটি ৫ লাখ টাকা। আর গ্যাসোলিন-৯৫ আমদানিতে ভিটল এশিয়ার কাছ থেকে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৪৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পখাত ও পরিবহন ব্যবস্থায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত আমদানির অংশ হিসেবে এসব তেল কেনা হচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এসব তেল আমদানি করবে।
অনুমোদিত চারটি প্যাকেজের মধ্যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে গ্যাস অয়েল ও জেট এ-১ আমদানিতে ব্যয় হবে ৭ হাজার ৬৭২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। একই ধরনের তেল আমদানিতে ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৭১১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
ফার্নেস অয়েল আমদানিতে ট্রাফিগুরা প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে ব্যয় হবে ১ হাজার ৯০০ কোটি ৫ লাখ টাকা। আর গ্যাসোলিন-৯৫ আমদানিতে ভিটল এশিয়ার কাছ থেকে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৪৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পখাত ও পরিবহন ব্যবস্থায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত আমদানির অংশ হিসেবে এসব তেল কেনা হচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে